নিপুণ হাতের স্পর্শে কারুকাজ খচিত টুপি তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা। সুই-সুতা থেকে তাদের চোখ যেন সরছেই না। আপন মনে টুপির ওপর নকশা করছেন কেউ কেউ, কেউবা ইস্ত্রিতে ব্যস্ত। আবার কাউকে দেখা যাচ্ছে প্যাকিংয়ে ব্যস্ত। তাদের যেন দম ফেলার ফুরসত নেই। সারাবছরই ঢাকার কামরাঙ্গীর চরের টুপি কারখানাগুলোতে কমবেশি ব্যস্ততা থাকে। কিন্তু রমজান ও ঈদ এলেই টুপির চাহিদা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। ফলে কারখানাগুলোতেও বাড়ে চাপ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দৃষ্টিনন্দন বাংলাদেশি টুপি ওমান, কুয়েত, কাতার, সৌদি ও বাহরাইনসহ বিভিন্ন দেশে ব্যাপক চাহিদা সৃষ্টি করেছে। বাড়তি চাহিদা পূরণে তাই কারখানার শ্রমিকেরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। নকশা ও উপকরণভেদে কারখানায় এক ডজন টুপি পাইকারি ২০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হয়। এখান থেকে উন্নতমানের ও ভালো নকশার টুপি বিদেশেও রফতানি করা হয়। সম্প্রতি টুপি কারখানা ঘুরে সেখানকার চালচিত্র তুলে এনেছেন সারাবাংলার সিনিয়র ফটোকরেসপন্ডেন্ট হাবিবুর রহমান।
ছবির গল্প
টুপির কারখানা
সারাবাংলা/পিটিএম











