Monday 24 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

‘জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও ভালো স্থানীয় নির্বাচন করতে চাই’

‎সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
২৪ আগস্ট ২০২৬ ১৪:৫৯

এএমএম নাসির উদ্দিন।

‎ঢাকা: জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়েও উন্নত, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য পরিবেশ বজায় রেখে আগামীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করতে চান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষ থেকে কোনো ধরনের প্রস্তুতির ঘাটতি না থাকলেও, সব পক্ষের বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেই ভোটের সার্বিক সময়সূচি ও চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করা হবে।

‎সোমবার (২৪ আগস্ট) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউশনে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের নানা দিক ও সার্বিক নির্বাচনি প্রস্তুতি নিয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

‎নির্বাচন পরিচালনা ও আয়োজনের ক্ষেত্রে পদে পদে নানা ধরনের বাস্তব চ্যালেঞ্জ থাকে উল্লেখ করে সিইসি জানান, সব প্রতিকূলতা অতিক্রম করে নির্ধারিত কমিটমেন্ট পূরণে কমিশন সম্পূর্ণ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বিগত নির্বাচনগুলো থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতাকে সামনে রেখে একটি উচ্চমানের ও মডেল স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চায় কমিশন। এই লক্ষ্য পূরণে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি-বিধান প্রয়োজনীয় পরিমার্জন ও সংশোধন শেষে ইতোমধ্যেই আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। কমিশন সকল আইনি বাধ্যবাধকতায় পূর্ণ দৃষ্টি রেখেই তাদের প্রতিটি কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

‎নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ ঘোষণার বিষয়ে সিইসি স্পষ্ট করে বলেন, নির্বাচন কমিশনের একার পক্ষে একটি পূর্ণাঙ্গ নির্বাচন সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। এর জন্য সরকার, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বাত্মক সহায়তা অত্যন্ত জরুরি। শুধু ইসির একার প্রস্তুতিই যথেষ্ট নয়; মাঠে পুলিশ ও প্রশাসনের সার্বিক মোবিলাইজেশন এবং কার্যকরী প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যখন সমন্বিতভাবে পুরোপুরি প্রস্তুত হবে, তখনই ভোটের চূড়ান্ত সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

সিইসি আরও বলেন, ভোটের দিনক্ষণ নির্বাচন কমিশন নিজেই ঠিক করবে, সরকার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে না। এই বিষয়ে ইতঃপূর্বে মহাপুলিশ পরিদর্শকের (আইজিপি) সাথে কমিশনের বিস্তারিত ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

‎স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সাধারণত সহিংসতার ঝুঁকি ও প্রবণতা জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় অনেকটাই বেশি থাকে বলে স্বীকার করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ও সহিংসতা শক্ত হাতে দমন করা সম্ভব হবে। সেই লক্ষ্যে পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীকে উপযুক্ত কৌশল ও পরিকল্পনা অনুযায়ী মাঠে মোবিলাইজ করা হবে।

‎সেইসঙ্গে, আইনি সময়সীমা মেনে নির্ধারিত ৯০ দিনের মধ্যে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন তাদের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। সব সংস্থার প্রস্তুতি যথাযথভাবে সমন্বয় করে খুব শীঘ্রই তফসিল প্রকাশ করা হবে বলে জানান সিইসি।

 

 

 

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর