Sunday 09 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
২২ জুলাই ২০২৬ ১০:২২ | আপডেট: ২২ জুলাই ২০২৬ ১৩:৩৪

ছবি: সারাবাংলা

ঢাকা: বায়ুর গুণমান পর্যবেক্ষণকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা আইকিউএয়ার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকার বায়ুর মানের কিছুটা উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। আজ বুধবার (২২ জুলাই ) বিশ্বের প্রধান শহরগুলোর বায়ু দূষণ সূচকে একুশ নম্বরে রয়েছে ঢাকা। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বায়ু দূষণ সূচকে ঢাকার প্রাপ্ত নম্বর ৮১, যা ‘সহনীয়’ বা ‘মধ্যম’ মানের বায়ুর নির্দেশক হিসেবে বিবেচিত।

বৈশ্বিক এই তালিকায় কঙ্গোর গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের রাজধানী কিনশাসা প্রথম স্থানে রয়েছে। শহরটির বায়ু দূষণ সূচক ১৯৭ রেকর্ড করা হয়েছে, যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য বেশ অস্বাস্থ্যকর। একই তালিকায় ১৫৬ সূচক নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয় এবং ১৪২ সূচক নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে মিসরের রাজধানী কায়রো। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের পোর্টল্যান্ড ১৩১ সূচক নিয়ে চতুর্থ এবং জেরুজালেম ১২২ সূচক নিয়ে পঞ্চম স্থানে অবস্থান করছে। তালিকায় সৌদি আরবের রিয়াদ ১০২ সূচক নিয়ে সপ্তম, ভারতের দিল্লি ৯০ সূচক নিয়ে দ্বাদশ এবং পাকিস্তানের করাচি ৮৮ সূচক নিয়ে চতুর্দশ স্থানে রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বায়ুর গুণমান বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি শহরের বায়ু দূষণ সূচক ৫০ এর নিচে থাকলে তাকে ‘ভালো’ হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। অন্যদিকে সূচক ৫১ থেকে ১০০ এর মধ্যে থাকলে তাকে ‘সহনীয়’ এবং ১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে থাকলে তা ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ বলে চিহ্নিত করা হয়। বায়ু দূষণ সূচক ১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে পৌঁছালে সার্বিকভাবে ‘অস্বাস্থ্যকর’ এবং ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে গেলে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। সূচক ৩০০ অতিক্রম করলে পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের পরিভাষায় সেই বায়ুকে ‘অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে আখ্যা দেওয়া হয়।

ঢাকায় বর্তমানে বায়ুর সূচক সহনীয় পর্যায়ে অবস্থান করায় সাধারণ নগরবাসীর জন্য তাৎক্ষণিক বড় কোনো শারীরিক ঝুঁকির আশঙ্কা নেই। পরিবেশবিদ ও বিশেষজ্ঞরা পরিবেশের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ওপর জোর দেওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত বায়ু মান পর্যবেক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তারা বায়ু দূষণ প্রতিরোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ এবং ঢাকা শহরের পরিবেশ সংরক্ষণে যথাযথ কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।

সারাবাংলা/এফএন/এমএম
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর