ওয়ানডে সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দাপট দেখানো বাংলাদেশ দল টি-টোয়েন্টি সিরিজের পুরোটা জুড়েই ঘুরপাক খেল ব্যাটিং ব্যর্থতায়। ধারাবাহিক ব্যাটিং ব্যর্থতায় সিরিজের তৃতীয় ম্যাচেও হেরেছে বাংলাদেশ।
আজ চট্টগ্রামে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে অজিতের বিপক্ষে ৭ উইকেটে হেরেছে স্বাগতিকরা। সেটাও ৫৪ বল হাতে রেখে! বাংলাদেশের হয়ে তাওহিদ হৃদয় একপ্রান্ত ধরে রেখে ৬১ রানের একটা ইনিংস না খেললে বড় লজ্জাতেই হয়ত পড়তে হতো। বাংলাদেশের হয়ে দুই অঙ্কের কোটা পেরুতে পেরেছেন কেবল আর একজনই, স্পিনার রিশাদ হোসেন। অপর দিকে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার ২৮ বলে ৬০ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছেন ম্যাচের শুরুতেই।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়াম ১০৯ রানের জবাব দিতে নেমে ম্যাচের শুরু থেকেই ঝড় তুলেছেন মার্শ। নতুন বলে নাসুম আহমেদ কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছিলেন। তবে অপরপ্রান্ত থেকে যারাই এসেছেন আক্রমণে তাদেরকেই তুলোধুনু করেছেন মার্শ।
একপ্রান্তে মার্শ ঝড় তুললেও অপরপ্রান্ত থেকে বাংলাদেশ অবশ্য নিয়মিত উইকেট তুলে নিচ্ছিল। তবে ছোট পুঁজি নিয়ে মার্শর সঙ্গে আর পেরে উঠেনি বাংলাদেশ।
শরিফুল ইসলামের বলে আউট হওয়ার আগে মাত্র ২৮ বলে ৭টি চার ৪টি ছয়ে ৬০ রান করেন মার্শ। ১১ ওভারে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে ফেলে অস্ট্রেলিয়া। এই জয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশকে ৩-০তে হোয়াইটওয়াশ করল অস্ট্রেলিয়া।

ছবি: শ্যামল নন্দি
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশ। মাত্র ৩৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে সর্বনিম্ন টি-টোয়েন্টি সংগ্রহের শঙ্কায় পড়ে দল টাইগাররা। সাইফ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন, নুরুল হাসান সোহান ও শামীম পাটোয়ারী কেউই ব্যাট হাতে অবদান রাখতে পারেননি।
বিপর্যয়ের মধ্যে একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করেন অধিনায়ক হৃদয়। ৫১ বলে অপরাজিত ৬১ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। রিশাদ হোসেন ১৬ রান করে কিছুটা সঙ্গ দিলে বাংলাদেশের স্কোর তিন অঙ্ক ছুঁয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে স্পেনসার জনসন ৪ ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। এছাড়া নাথান এলিস ও অ্যাডাম জাম্পা দুটি করে উইকেট তুলে নেন।