Monday 29 June 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

‘বাংলাদেশে কোনো পশু-পাখির মধ্যে করোনাভাইরাস নেই’


১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৭:৪৫ | আপডেট: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৭:৪৬
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা.মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা। ফাইল ফটো।

ঢাকা: বাংলাদেশে কোনো পশু-পাখির মধ্যে করোনা ভাইরাস নেই। তবে অসুস্থ্য পশু পাখির মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা কেন্দ্র (আইইডিসিআর)।

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) আইইডিসিআর কার্যালয়ে করোনাভাইরাস নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

ডা. ফ্লোরা বলেন, আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, করোনা ভাইরাস নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে এর উদ্বেগজনক প্রসার ঘটছে। এ ধরণের গুজব করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তে জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের চেষ্টাকে হুমকির মুখে ফেলবে। আমরা সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বপ্রথম আইইডিসিআর হটলাইনে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পুনরায় আহ্বান জানাচ্ছি। যদি কোনো রোগী পাওয়া যায় তবে তাকে দ্রুত আইসোলেশনে নেয়া হবে

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, করোনাভাইরাস নিয়ে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য নিতে হবে। মানুষের মাঝে যাতে গুজব ছড়িয়ে না পড়ে, সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

করোনার জন্য বিশেষ কোনো চিকিৎসা না থাকায় অনেক ক্ষেত্রেই একই ধরনের উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকরা সিটিস্ক্যান করতে দিচ্ছেন জানিয়ে ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, এই পরীক্ষাটি সতর্কতা হিসেবে দেওয়া হচ্ছে। তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়।

রাজধানীর তিনটি সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালকে করোনার চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানান ডা. ফ্লোরা। তবে হাসপাতাল তিনটির সক্ষমতা আরও বাড়ানো প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি।

সিঙ্গাপুরে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ৫ বাংলাদেশির মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক জানিয়ে দেশবাসীকে তার জন্য দোয়া করার অনুরোধ জানান ডা. সেব্রিনা ফ্লোরা।

তিনি বলেন, চীন থেকে ১৭১ জন বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আলোচনা চলছে। তবে আইইডিসিআর এখনো এ বিষয়ে কিছু জানে না। করোনা ভাইরাস রোগী পাওয়া গেলে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে পরামর্শ করেই জানানো হবে।

এছাড়া, বাংলাদেশে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেলে ভালো ল্যাবরেটরি আছে এমন যে কোনো সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালে রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হবে। রোগীর যেন অতিরিক্ত খরচ না হয় সে ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।