ঢাকা: ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)-এর আওতাধীন কাঁচপুর বাস টার্মিনাল নির্মাণ কাজের দায়িত্ব পাচ্ছে নৌবাহিনী। সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এ কাজটি করবে বাংলাদেশ নৌবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত প্রতিষ্ঠান ‘চিটাগাং ড্রাই ডক লিমিটেড।’
বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ‘অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’র বৈঠকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব নীতগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৈঠকে সভাপতিত্ব কররেন।
বৈঠক সূত্র জানায়, প্রস্তাব অনুযায়ী, কাঁচপুর বাস টার্মিনালের শেড নির্মাণ, টিকিট কাউন্টার, টয়লেট এবং অফিস কক্ষসহ আনুষঙ্গিক স্থাপনা নির্মাণ করা হবে।
সূত্রমতে, এ কাজে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।
এর আগে, গত ১৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত রাজধানীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন সংক্রান্ত এক সভায় রাজধানীর যানজট নিরসনে মহাখালী, সায়দাবাদ, গুলিস্থান ও ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।
বৈঠক শেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন-এর প্রশাসক মো. আবদুস সালাম জানান, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া কাঁচপুরে আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যান্যের মধ্যে গুলিস্তান থেকে টার্মিনাল সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। হকারদের উচ্ছেদ না করে আবার বিশৃঙ্খল অবস্থায়ও না রেখে কীভাবে সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা যায়, সে বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন-এর প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান জানান, মহাখালী এলাকায় রাস্তার ওপর যাতে বাস দাঁড়িয়ে না থাকে, সেজন্য প্রাথমিকভাবে পূর্বাচলে বাস ডিপো স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ কাজে সিটি করপোরেশন প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।
সূত্র মতে, ওই বৈঠকের পর স্থানীয় সরকার বিভাগ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে চার মাসের মধ্যে কাঁচপুরে প্রস্তাবিত টার্মিনাল ব্যবহার উপযোগী করতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ ও অন্যান্য কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়। এ প্রেক্ষিতে সায়দাবাদ বাস টার্মিনালটি কাঁচপুরে স্থানান্তর করা হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।