Wednesday 01 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর হচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত জলিল টেক্সটাইল

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
১ জুলাই ২০২৬ ১৭:৩৪ | আপডেট: ১ জুলাই ২০২৬ ১৮:৫৫

জলিল টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড – ছবি : বিটিএমসি’র ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত

ঢাকা: চট্টগ্রাম অঞ্চলে ‘বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি’ (বিওএফ) সম্প্রসারণে জেলার ভাটিয়ারিতে অবস্থিত বাংলাদেশ টেক্সটাইলস মিলস কর্পোরেশন (বিটিএমসি)-এর আওতাধীন ‘জলিল টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড’-কে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বুধবার (০১ জুলাই) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ‘অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’র বৈঠকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, সমরাস্ত্র কারখানা সম্প্রসারণে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা ‘জলিল টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড’-কে প্রতীকী মূ্ল্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। মিলটিতে জমির পরিমাণ ৫৪ দশমিক ৯৯ একর। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ফৌজদারহাট এলাকায় ১৯৬১ সালে স্থাপন করা হয় ব্যক্তি মালিকানাধীন মেসার্স জলিল টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড। ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে মিলটি জাতীয়করণ করা হয়েছিল।

বিজ্ঞাপন

জানা যায়, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গত বছর ২৯ জুলাই মিলটি সেনাবাহিনীকে হস্তান্তরের বিষয়ে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তবে মিলটি সেনাবাহিনীকে হস্তান্তরের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হলেও তা প্রতীকী মূল্যে হস্তান্তরে আপত্তি জানিয়েছিল উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।

বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, চট্টগ্রামের জলিল মিলের জায়গাটি সেনাবাহিনীকে হস্তান্তরের ব্যাপারে বৈঠকে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে আমরা প্রস্তাব দিয়েছি যে, প্রতীকী মূল্যে দেব না। এখন থেকে জমি কিনে নিতে হবে। যারাই নিতে চায় অর্থ দিয়ে নেবে।

জানা যায়, ওই সময় মূল্য সংশোধন করে ফের প্রস্তাব নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল। সেনাবাহিনীর প্রস্তাব ছিল প্রায় ১৭ কোটি ৫ লাখ টাকা।

এছাড়া ‘অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’র বৈঠকে আরও দুটি প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। এর একটি হচ্ছে- নতুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জি-টু-জি-এর আওতায় সৌদি আরব-এর ‘সাবিক এগ্রি নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি’ থেকে ইউরিয়া সার আমদানির লক্ষ্যে বিসিআইসি’র সঙ্গে চুক্তি সইয়ের নীতিগত অনুমোদন।
অপরটি হচ্ছে- দুটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ‘কোল প্রাইস মেকানিজম’ সংশোধনের নীতিগত অনুমোদন। বিদুৎ কেন্দ্র দুটি হচ্ছে এসএস পাওয়ার লিমিটেড কর্তৃক চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অবস্থিত ২x৬১২ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং ‘বরিশাল ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড’ কর্তৃক নির্মিত ‘৩০৭ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।

বিজ্ঞাপন

২৫ কোটিতে আলিয়ার রেকর্ড!
১ জুলাই ২০২৬ ১৮:৫৩

আরো

সম্পর্কিত খবর