Sunday 24 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ফরেনসিক রিপোর্টে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৪ মে ২০২৬ ১২:০২ | আপডেট: ২৪ মে ২০২৬ ১৪:০১

ঢাকা: রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে হত্যার আগে জোরপূর্বক ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। ধর্ষণের পর রমিসাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। ফরেনসিক ও ডিএনএ প্রোফাইলিং প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

শনিবার (২৩ মে) মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে শিশুটির ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করেছে সিআইডির ফরেনসিক ইউনিট এবং শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আজ রোববার (২৪ মে) আদালতে এই মামলার চার্জশিট জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।

গত বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন প্রধান আসামি সোহেল রানা। জবানবন্দিতে তিনি স্বীকার করেন, ঘটনার আগে তিনি ইয়াবা সেবন করেছিলেন। এরপর রামিসাকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। আদালত জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

মামলার বিচার দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আইন মন্ত্রণালয় থেকে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নিয়োগ দেয়া হয়েছে। গতকাল শনিবার আইন ও বিচার বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনার জন্য অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলুকে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

এর আগে, গত ১৯ মে মিরপুর ১১ নম্বরের একটি বাসায় পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে (৭) ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। এরপর লাশ গুমের উদ্দেশে মাথা ও হাত পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়। ঘটনার পরদিন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করে মামলা করেন।

এদিকে, এই ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিহত রামিসার বাসায় গিয়ে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সান্ত্বনা দেন এবং আগামী এক মাসের মধ্যে অপরাধীর সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়েছেন। এই নির্মম ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে টানা আন্দোলন চলছে।

সারাবাংলা/এমএইচ/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর