ঢাকা: আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ সফল করতে মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি জোরদার করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বিভাগের প্রস্তুতি, সমন্বয় ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রস্তুতিমূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল (সাবেক এমপি) ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।
বৈঠকে লংমার্চ সফল করতে বিভিন্ন বিভাগের প্রস্তুতির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে কর্মসূচিতে ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা, সাংগঠনিক সমন্বয় এবং দায়িত্বপ্রাপ্তদের কার্যক্রম নিয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিনসহ কেন্দ্র ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ৫ সেপ্টেম্বরের লংমার্চকে জাতীয় সিরিজ কর্মসূচি হিসেবে নেওয়া হয়েছে।’ ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পরদিন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠকে সংসদ ও রাজপথে একসঙ্গে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের অবস্থা দেখে আবার জুলাই আন্দোলনের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। কারণ, সরকার জুলাইকে মুছে দিতে চায়।’
বিএনপির সমালোচনা করে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘বিএনপি এভাবে জাতির সঙ্গে বেঈমানি করছে। আমরা জুলাইকে মুছে দিতে দেব না, থামাতেও দেব না।’ তিনি আরও বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থান জনগণ করেছে, এটি কোনো দলের ইস্যু নয়, জনগণের ইস্যু। ’
কৃষকরা সার পাচ্ছেন না দাবি করে তিনি বলেন, ‘সাতটি সার কারখানার মধ্যে ছয়টি বন্ধ রয়েছে। বিদ্যুৎ সংকটের কারণে শিল্পকারখানার উৎপাদনেও মারাত্মক প্রভাব পড়েছে এবং বিভিন্ন কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।’
লংমার্চ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সব শ্রেণি-পেশার মানুষসহ দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন ১১ দলীয় ঐক্যের এই সমন্বয়ক।