Wednesday 06 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

দেশে এলো হাম-রুবেলার ১৫ লাখ ডোজ টিকা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৬ মে ২০২৬ ১৩:৩৯ | আপডেট: ৬ মে ২০২৬ ১৪:৪০

ঢাকা: হাম-রুবেলার ১৫ লাখ ডোজ টিকা দেশে এসে পৌঁছেছে। এছাড়া আগামী ১০ মে’র মধ্যে আরও প্রায় ১.৮ কোটি ডোজ এমআর, টিডি, বিসিজি, টিসিভি, বিওপিভি ও পেন্টা ভ্যাকসিন আসবে।

বুধবার (৬ মে) দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউনিসেফ থেকে ১৫ লাখ ডোজ হাম-রুবেলা (এমআর) এবং টিডি ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ইপিআই কর্মসূচির মাধ্যমে ১৯৭৯ সাল থেকে শিশু ও নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে ১২টি সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ইপিআই বর্তমানে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত একটি সফল কর্মসূচি এবং গ্যাভি আমাদের ভ্যাকসিন হিরো হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। প্রতি বছর ইপিআই প্রোগ্রাম প্রায় এক লাখ শিশুর মৃত্যু প্রতিরোধ করে এবং প্রায় ৫০ লাখ রোগ প্রতিরোধ করে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, আমি অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে উল্লেখ করছি যে অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু ভুল সিদ্ধান্তের কারণে এই সফল ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইপিআই প্রোগ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তবে প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইপিআইকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। কারণ, এটি শিশুদের জীবন রক্ষার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে ভ্যাকসিন ক্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, যা আমি দায়িত্ব গ্রহণের দুই সপ্তাহের মধ্যে বাতিল করি এবং ইউনিসেফকে ভ্যাকসিন সরবরাহের জন্য অনুরোধ করি। সরকার অত্যন্ত দ্রুততার সাথে প্রয়োজনীয় অর্থ ইউনিসেফকে ছাড় করে দিয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আমি গর্বের সাথে জানাচ্ছি, ক্যাম্পেইনটি ১৯ এপ্রিলের পরিবর্তে ৫ এপ্রিল থেকেই শুরু করা সম্ভব হয়েছে ইউনিসেফের সহযোগিতায়।

তিনি আরও বলেন, আমরা ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য ১৫ মাসের ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরিকল্পনা নিয়েছি, যার মধ্যে ৩ মাসের বাফার স্টক থাকবে। এ প্রক্রিয়াও ইউনিসেফের মাধ্যমে শুরু করা হবে। বর্তমানে আমাদের কাছে TCV ও HPV ভ্যাকসিনের দুই বছরের পর্যাপ্ত স্টক রয়েছে। নতুন এই সরবরাহের ফলে আগামী ৮ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত অন্যান্য ভ্যাকসিনেও বাংলাদেশে কোনো ঘাটতি থাকবে না।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর