Saturday 16 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

বিশ্ব মানচিত্র থেকে পাকিস্তানকে মুছে ফেলার হুমকি ভারতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৭ মে ২০২৬ ০০:৪৮ | আপডেট: ১৭ মে ২০২৬ ০০:৪৯

ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানকে বিশ্ব মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী।  শনিবার (১৬ মে) নয়াদিল্লির মানেকশ সেন্টারে ‘ইউনিফর্ম আনভেইল্ড’ নামক একটি প্ল্যাটফর্মের উদ্যোগে আয়োজিত ‘সেনা সংবাদ’ শীর্ষক এক বিশেষ অধিবেশনে বক্তব্য রাখার সময় ভারতীয় সেনাপ্রধান ইসলামাবাদের উদ্দেশে এই হুঁশিয়ারি দেন।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

উক্ত অনুষ্ঠানে তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, গত বছর সংঘটিত ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর মতো পরিস্থিতি যদি সীমান্তে আবার তৈরি হয়, তবে ভারতীয় সেনাবাহিনী তার কেমন জবাব দেবে। এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দিতে গিয়ে জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেন, পাকিস্তান যদি ক্রমাগত সন্ত্রাসবাদীদের লালন-পালন করতে থাকে এবং ভারতের ক্ষতি করার চেষ্টা চালিয়ে যায়, তবে তাদেরই এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা নিজেদের ভূগোলের অংশ হিসেবে টিকিয়ে রাখবে নাকি ইতিহাসের পাতায় বিলীন করে দেবে।

বিজ্ঞাপন

ভারতীয় সেনাপ্রধানের এই বিস্ফোরক মন্তব্যটি এমন একটি সময়ে এল, যার মাত্র কয়েক দিন আগেই দেশটির সরকার ও সশস্ত্র বাহিনী অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর প্রথম বার্ষিকী পালন করেছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের মে মাসের শুরুতে কাশ্মীরের পাহালগামে একটি ভয়াবহ ও প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী হামলা চালায় পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গিরা। সেই হামলার প্রতিশোধ নিতে এবং সন্ত্রাসবাদের সমূলে উৎপাটন করতে গত বছরের ৭ মে ভোরে ভারতীয় সামরিক বাহিনী পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ড এবং পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে (পিওকে) অবস্থিত একাধিক সন্ত্রাসী আস্তানা লক্ষ্য করে একযোগে নিখুঁত বিমান ও সামরিক হামলা চালায়, যা সামরিক ইতিহাসে ‘অপারেশন সিন্দুর’ নামে পরিচিত।

ভারতের সেই আকস্মিক হামলার পর পাকিস্তানও পাল্টা সামরিক আক্রমণ চালানোর চেষ্টা করেছিল এবং তার জবাবে ভারতের পরবর্তী সমস্ত প্রতিরোধমূলক সামরিক অভিযানগুলোও এই অপারেশন সিন্দুরের অধীনেই পরিচালিত হয়েছিল। দুই দেশের এই ভয়াবহ সামরিক সংঘাত ও আকাশ যুদ্ধ টানা ৮৮ ঘণ্টা ধরে চলেছিল, যা সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ায় পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করে। পরবর্তীতে দুই দেশের শীর্ষ কূটনৈতিক ও সামরিক পর্যায়ে তীব্র আলোচনার পর ১০ মে সন্ধ্যায় একটি গোপন ও পারস্পরিক যুদ্ধবিরতি সমঝোতায় পৌঁছালে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

সারাবাংলা/এসএস
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর