পটুয়াখালী: কলাপাড়ায় চেতনানাশক ওষুধ স্প্রে করে পরিবারের সবাইকে অচেতন করে নগদ টাকা, সোনার গয়না এবং মোবাইলসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে গেছে একদল দুর্বৃত্তরা।
শনিবার (৮ আগস্ট) গভীর রাতে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের নেয়ামতপুর গ্রামের আলম খানের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্বজনেরা ভুক্তভোগী মো. আলম খান (৫১),আয়শা বিবি(৭৫),মাছুমা বেগম (৪৫),মো. রাসেল, (৩০) হাফসা বেগম (২৫) কে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। তিনজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরলেও এখন পর্যন্ত জ্ঞান ফেরেনি আয়শা বিবি, মাছুমা বেগমের।
ভুক্তভোগী আলম খান জানান, তিনি ধান কেনা বেচার ব্যবসা করেন। প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার খেয়ে সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে অনেক বেলা পর্যন্ত কারও ঘুম ভাঙছিল না। এক পর্যায়ে বাড়ির অন্য সদস্যরা ডাকাডাকি করে রুমের দরজা ভাঙার চেষ্টা করেন। তখন তারা শব্দ পেয়ে জেগে উঠেন। কিন্তু শারীরিকভাবে প্রচণ্ড দুর্বলতা অনুভব করেন। ঘরের ভেতর আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখেন। তখন তারা বুঝতে পারেন, দুর্বৃত্তরা রাতে সুযোগ বুঝে কোনো এক সময় ঘরের দোতলার দরজার থেকে ভিতরে প্রবেশ করে চেতনানাশক ওষুধ স্প্রে করে সবাইকে অচেতন করে ঘরে ঢুকে আলমারিতে থাকা পাঁচ লাখ টাকা ও ৪ ভরি সোনার গয়না নিয়ে গেছে। পরে স্বজনরা তাদের কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর ছোট ভাই বজলু খান বলেন, ‘সকালে আমরা চুরির খবর পেয়ে বড় ভাইয়ের বাসায় যাই। সেখানে গিয়ে দেখি সবাই অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে। বাড়ির আলমারি ভাঙা ও জিনিসপত্র এলোমেলোভাবে পড়ে আছে। পরবর্তীতে উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করি।’
কলাপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। এ বিষয়ে এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।