Thursday 04 Jun 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার এখন জনগণের ইশতেহার: পঞ্চগড়ের ডিসি

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
৪ জুন ২০২৬ ২২:১৫

জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সেমিনার

পঞ্চগড়: জেলা প্রশাসক মোসা. শুকরিয়া পারভীন বলেছেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার এখন জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্র পরিচালনা, উন্নয়ন পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থার সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা এতে তুলে ধরা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত ‘নির্বাচনী ইশতেহারে গণতান্ত্রিক অধিকার, উন্নয়ন পরিকল্পনা ও নাগরিক প্রত্যাশার প্রতিফলন’ শীর্ষক সেমিনারের উদ্বোধনী বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

সেমিনার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোসা. শুকরিয়া পারভীন।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার সরকার, সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির, জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল এবং পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সরকার হায়দার।

বিজ্ঞাপন

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘ইশতেহারটি পাঁচটি মূল অধ্যায়ে বিভক্ত। এগুলো হল— রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কার, বৈষম্যহীন আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও টেকসই রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা অর্জন, ভৌত অর্থনীতির পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধার, অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়ন এবং ধর্ম, সমাজ, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও জাতীয় সংহতি।’

তিনি আরো বলেন, ‘উত্তরাঞ্চল- বিশেষ করে পঞ্চগড় দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার। এ বৈষম্য দূর করতে সরকার অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়নের নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন কর্মসূচির উদ্বোধন ও পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।’

সেমিনারে বক্তারা গণতান্ত্রিক চর্চা জোরদার, অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং জনগণের প্রত্যাশাকে রাষ্ট্রীয় কর্মপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়েও মতামত তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, সিভিল সোসাইটি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্য, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর