পাঁচ মিনিটের ঝড়ে ম্যাচ ঘুরিয়ে দিয়ে আবারও এফএ কাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। সাউদাম্পটনকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইতিহাসের প্রথম দল হিসেবে টানা চতুর্থবারের মতো ফাইনালে উঠেছে পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা। তাতে ম্যানচেস্টার সিটির ট্রেবল জেতার সম্ভবনা টিকেই থাকল।
ম্যাচের শুরুটা ছিল ধীরগতির, তবে শেষ দিকে নাটকীয়তায় ভরা। প্রথমার্ধে কয়েকটি সুযোগ পেলেও গোল করতে পারেনি সিটি। রেইন্ডার্সের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে, আর ফিল ফোডেনের ফলো-আপ শট গোললাইন থেকে ক্লিয়ার হয়। অপর দিকে সাউদাম্পটনের লিও সিয়েনজারের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।
দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না কেউ। এরপর ৬০ মিনিটে পরিবর্তন আনেন কোচ পেপ গার্দিওলা। ফোডেন ও কোভাসিচকে তুলে মাঠে নামান স্যাভিনিও ও জেরেমি ডোকুকে। তাতে খেলার গতি বাড়ে। পরে মাঠে আসেন আর্লিং হালান্ড ও নিকো ও’রাইলিও। কিন্তু গোলের দেখা মিলছিল না সিটির।
উল্টো ৭৯ মিনিটে চমকে দেয় সাউদাম্পটন। ফিন আজাজ ডি-বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক বাঁকানো শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। সেই গোলেই ম্যাচ জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে আন্ডারডগ দলটি।
তবে বেশিক্ষণ টেকেনি সাউদাম্পটনের সেই আনন্দ। তিন মিনিট পর, ৮২ মিনিটে বদলি হিসেবে নামা জেরেমি ডোকু একটি ডিফ্লেক্টেড শটে সমতা ফেরান। এরপর ৮৭ মিনিটে নিকো গনজালেস দুর্দান্ত জোরালো শটে সিটিকে ২-১ গোলে এগিয়ে নেয়। মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে ম্যাচে লিড নেয় ম্যানচেস্টার সিটি।
শেষদিকে স্যাভিনিও আরেকটি গোলের সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি। তবে তাতে জয় নিশ্চিত করতে কোনো সমস্যা হয়নি সিটির। ২-১ ব্যবধানের জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে পেপ গার্দিওলার দল। আগামী মে মাসে ওয়েম্বলিতে ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটির প্রতিপক্ষ হবে চেলসি ও লিডস ইউনাইটেড ম্যাচের জয়ী দল।