তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে পেস আক্রমণ দিয়ে নিউজিল্যান্ডকে কাঁপিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। অভিজ্ঞ মোস্তাফিজুর রহমান ও তরুণ নাহিদ রানা ছিলেন রীতিমতো অপ্রতিরোধ্য। কিন্তু একদিন পর শুরু হতে যাওয়া দুই দলের মধ্যকার টি-টোয়েন্টি সিরিজে নেই দুজনের একজনও। দুজনকেই বিশ্রাম দিয়েছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক লিটন দাস জানালেন, অতিব্যবহারে মোস্তাফিজ-নাহিদ রানাকে নষ্ট করতে চায় না বাংলাদেশ।
বৈশাখের শুরু থেকেই দেশে তীব্র তাপদাহ। এতো গরমে সাধারণ জীবনধারণই কঠিন হয়ে পড়ছে। এর মধ্যে ক্রিকেট খেলা সহজ কাজ নয়। তবু ওয়ানডে সিরিজে টানা তিন ম্যাচ খেলেছেন নাহিদ রানা। চোটের কারণে সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডে খেলতে না পারা মোস্তাফিজুর রহমান খেলেছেন শেষ ম্যাচটা। সামনেই বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ খেলা। ফলে নাহিদ, মোস্তাফিজকে বিশ্রাম দিয়েছে বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে অপর গতি তারকা তাসকিন আহমেদকেও।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দলে বাংলাদেশের পেস আক্রমণ রীতিমতো দ্বিতীয় সেরা! ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানালেন লিটন দাস।
আগামীকাল মাঠে গড়াবে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচটি। আজ ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে লিটনের সামনে উঠল নাহিদ রানা, মোস্তাফিজকে বিশ্রাম দেওয়ার প্রসঙ্গ। লিটন বলেন, ‘বোলারদের জন্য খুবই সহজ ব্যাপারটা, রোটেট করে খেলানো। আপনারাও জানেন যে, ২ জন নেই। তারা (মোস্তাফিজ-নাহিদ) বাংলাদেশের জন্য বড় সম্পদ। আমি চাই না তারা টানা ক্রিকেট খেলে চোটে পড়ে শেষ হয়ে যাক। সামনে আমাদের ওয়ানডেতে অনেক খেলা আছে, টেস্টেও আছে। এদিক দিয়ে চিন্তা করেই পরিবর্তন আনা হয়েছে। যেহেতু বিশ্বকাপ অনেক দেরি, প্লেয়ারদের গ্রো আপ করানোর, ম্যাচ খেলানোর একটা ভালো সুযোগ আছে।’
নিজের দল নিয়ে লিটন বলেন, ‘আমি অনেক স্বাধীন। আমি আমার মত করেই দল গোছাচ্ছি। সাথে নির্বাচক কোচরা আছেন। সবাই মিলে চেষ্টা করছি দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। দুর্বলতার জায়গা দেখেন সবার যার যার ডিপার্টমেন্ট আছে। আমরা ব্যাটাররা নিজেদের রোল প্লে করলে শেষের ব্যাটারদের দিকে তাকাতে হবে না। বোলাররা বোলারদের রোল প্লে করলে আর ব্যাটারদের দিকে তাকাতে হবে না। টি-টোয়েন্টিতে আগ্রাসী ক্রিকেট খেলতে হবে, হলে ২-১টা উইকেট আগে পড়বে। শেষ দিকে স্পিন করে নাসুম, শেখ মেহেদী, রিশাদ তাদের কাছ থেকে একটু ব্যাটিং আশা করি। সাথে অলরাউন্ডাররা যদি কিছুটা ব্যাটিং করতে পারে তাহলে একটি স্বাস্থ্যকর ব্যাটিং অর্ডার তৈরি হয়। বড় বড় দলে অনেক ডেপথ থাকে, ৯ নাম্বার পর্যন্ত ব্যাটিং পারে। যদি আমরা তাদের থেকে এই ডেপথটা পাই, তাহলে উপর থেকে ব্যাটাররা আরও স্বাধীনভাবে খেলতে পারবে।’