Tuesday 14 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ড. মঈন খানের বিচার চেয়ে চিঠি, ফের গুজবের শিকার শায়রুল

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
১৪ নভেম্বর ২০২৩ ২৩:৫৯ | আপডেট: ১৫ নভেম্বর ২০২৩ ০০:১০

ঢাকা: ৭০ দিনের মাথায় ফের গুজবের শিকার হলেন বিএনপির মিডিয়া সেলের অন্যতম সদস্য শায়রুল কবির খান।

মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯ টায় bnppressmedia123@gmail.com ইমেইল ঠিকানা থেকে গণমাধ্যমকে জানানো হয়, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খানের বিচার চেয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে চিঠি দিয়েছেন শায়রুল কবির খান।

মেইলের দাবি অনুযায়ী, গত ১ অক্টোবর তারেক রহমানকে লেখা ওই চিঠিতে শায়রুল কবির খান অভিযোগ করেছেন, আন্ডারগ্রাউন্ড গণমাধ্যমে কর্মরত বান্ধবীর গুরুত্ব বাড়াতে বিএনপি বিটের কয়েকজন সাংবাদিককে নিয়ে গুলশানের বাসায় নৈশভোজের আয়োজন করেছেন ড. মঈন খান। বিএনপির মতো একটি দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে সংবেদনশীল একটি কমিউনিটির বেশির ভাগ সদস্যকে পাশ কাটিয়ে কেবল নিজের ও বান্ধবীর গুরুত্ব বাড়াতে সাংবাদিকদের মধ্যে যে বিভাজন তৈরি করেছেন, তা বিএনপির স্বার্থ ও ইমেজ ক্ষুণ্ন করেছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন- বিএনপির নামে মেইল খুলে গভীর রাতে শায়রুলকে নিয়ে গুজব

নৈশভোজ সফল হওয়ায় ড. মঈন খান নিজের ওই সাংবাদিক বান্ধবীকে নগদ পাঁচ লাখ টাকা উপহার দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করা হয় ওই চিঠিতে— এমনটিই দাবি করা হয়েছে ইমেইলে।

মেইলে যে চিঠিটি সংযুক্তি আকারে দেওয়া হয়েছে, তাতে তারিখ রয়েছে গত ১ অক্টোবরের। ওই চিঠির নিচে শায়রুল কবির খানের সইয়ের পাশাপাশি দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সুপারিশও রয়েছে।

চিঠির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য কল দিলে শায়রুল কবির খান সারাবাংলাকে বলেন, ‘আমি সব সময় bnppressmedia@gmail.com ইমেইল ঠিকানা থেকে মেইল পাঠাই। আজ যে (bnppressmedia123@gmail.com) অ্যাড্রেস থেকে মেইল পাঠানো হয়েছে সেটি আমার না। আমি এ ধরনের কোনো মেইল পাঠাইনি।’

তিনি বলেন, ‘চিঠিটা দেখে অবাক হয়েছি। কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলছি। এ সময় এ ধরনের নোংরামি ও ষড়যন্ত্র থেকে বিরত থাকার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি।

এর আগে গত ৩ সেপ্টেম্বর বিএনপির সাবেক একজন নারী সংসদ সদস্যের শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ শায়রুল কবির খানকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি আসে। পরে জানা যায়, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নামে আসা ওই বিবৃতিটিও ভুয়া।

সারাবাংলা/এজেড/টিআর
বিজ্ঞাপন

আরো