চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার ফতেনগর গ্রামের মৃত দীপঙ্কর বড়ুয়ার বাড়ি সংলগ্ন জমিতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করতে যান এলাকাবাসী। তবে সেখানে ২ নম্বর জোয়ারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিন আহমেদ রোকনের নেতৃত্বে কতিপয় দুষ্কৃতিকারীর বাধার মুখে পড়েন তারা।
স্থানীয়রা জানান, দীপঙ্কর বড়ুয়ার দুই ছেলে নিপুণ বড়ুয়া ও সৌমেন বড়ুয়া। তারা এলাকার বৌদ্ধ সমাজের প্রায় শতাধিক পরিবারের জলাবধ্যতা ও পানি নিষ্কাশনের সুবিধার জন্য তাদের নিজস্ব জমির উপর বছর খানেক আগে একটি খাল খনন করে দেন। কিন্তু খালের মুখ বরাবর প্রায় দুই শতক জায়গা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী সীমান্ত বড়ুয়া দখল করে রাখেন। রোকন চেয়ারম্যানের মদদে তিনি এ কাজ করে আসছেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। সীমান্ত বড়ুয়া বড় অংকের চাঁদাও দাবি করে আসছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, এলাকার অবৈধ অস্ত্রধারী গরুচোর সিন্ডিকেটের অত্যাচারে সংখ্যালঘু হিন্দু বৌদ্ধরা দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতিত। প্রায় প্রতিরাতেই কোনো না কোনো বাড়িতে সশস্ত্র হানা দিয়ে গরু ডাকাতি করে আসছে এই চক্র। সম্প্রতি এলাকার গরু চোর সিন্ডিকেটের নির্বিঘ্ন চলাচলের এই একটিমাত্র পথ বন্ধ করে স্থানীয় বাসিন্দাগণ খালের পানি চলাচলের বেদখল জায়গা মুক্ত করতে গেলে রোকন চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে অস্ত্রধারী দুষ্কৃতিকারীরা এতে বাধা দেন। এতে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
উল্লেখ্য, চন্দনাইশ এর কৃতিপুরুষ, বরেণ্য আইনজীবী, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মরহুম অ্যাডভোকেট বদিউল আলমের পরিবার তাদের নিজস্ব জমির উপর প্রায় এক কিলোমিটার খাল খনন করে বৌদ্ধ ও মুসলিম জনগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের জলাবধ্যতা নিরসনের ব্যবস্থা করে দেন।