Sunday 12 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

চীনে আঘাত হেনেছে টাইফুন ‘বাভি’, ভূমিধসে ফিলিপাইনে নিহত ১৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১২ জুলাই ২০২৬ ১৫:৫৪ | আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬ ১৫:৫৫

টাইফুন বাভির প্রধান আঘাতটি ইশিগাকির মতো জাপানি দ্বীপগুলোতে লেগেছে। ছবি: রয়টার্স।

চীনের পূর্বাঞ্চলের ঝেজিয়াং প্রদেশে টাইফুন ‘বাভি’ আঘাত হেনেছে। অন্যদিকে প্রতিকূল আবহাওয়ার জেরে ভূমিধসে ফিলিপাইনে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, শনিবার (১১ জুলাই) গভীর রাতে পূর্ব চীনের উপকূলীয় শহর তাইঝৌতে আছড়ে টাইফুন বাভি পড়ে, যেখান থেকে প্রায় ২০ লাখ মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

এর আগে, জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় সাকিশিমা দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হেনে এবং উত্তর তাইওয়ানের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়ার সময় টাইফুনটি চীনে আঘাত হানে।

উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় বাভির গতি কমতে ও দুর্বল হতে থাকলেও, এর বৃষ্টিবলয়গুলোর মধ্যে থাকা বিপুল পরিমাণ আর্দ্রতার কারণে টাইফুনটি এখনও একটি শক্তিশালী ঝুঁকি। এই বৃষ্টিবলয়টি এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত প্রায় ফ্রান্সের সমান।

বিজ্ঞাপন

চীনা কর্তৃপক্ষ টাইফুন বাভির কারণে গতকাল প্রায় ২০ লাখ মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়েছে। দেশটির পূর্বাঞ্চলে জারি করা হয়েছে উচ্চ সতর্কতা। কেন্দ্রের কাছাকাছি বাভির বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৪৪ কিলোমিটার বা প্রায় ৮৯ মাইল।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, তাইঝৌ অবস্থিত ঝেজিয়াং প্রদেশ জুড়ে ১৭ লাখেরও বেশি মানুষকে, পার্শ্ববর্তী ফুজিয়ান প্রদেশ ও বেইজিং থেকে এক লাখেরও বেশি করে এবং সাংহাই থেকে প্রায় ৩৪ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ফিলিপাইনে নিহত ১৭

শক্তিশালী দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ফিলিপাইনে প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে গত টাইফুন বাভির প্রভাব। প্রতিকূল আবহাওয়ার জেরে ভূমিধসে দেশটিতে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

তাইওয়ানে তীব্র বাতাস ও ভারী বৃষ্টির জেরে অন্তত ১৩৪ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় আবহাওয়া দপ্তর। বিশেষ করে পিচ্ছিল সড়কে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে অনেকে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে আহত হয়েছেন।

গতকাল সকালে তাইওয়ানে প্রায় ১৪ হাজার ২১০ জনকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিশেষত তাইচুং শহর ও হুয়ালিয়েন কাউন্টি থেকে লোকজনকে সরানো হয়েছে। তাইওয়ানজুড়ে স্কুল, অফিস ও বেশির ভাগ রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখা হয়েছে।

 

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর