ঢাকা: রাজধানীর বাজারে হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে সব ধরণের চালের দাম। কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, মিল মালিকরা চালের দাম বাড়ানোর কারণেই পাইকারী ব্যবসায়ীদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তারই প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে।
শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) রাজধানীর গেন্ডারিয়া বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব ধরনের চালের দাম বস্তায় ৫০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। যা প্রতি কেজিতে ৫ টাকা পর্যন্ত বাড়তি।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, নাবিল ২৮ (৫০ কেজি) বস্তা বিক্রি হচ্ছে ১৮০০ টাকা যা গত সপ্তাহে ছিলো ১৬৫০ টাকা। পাইজাম ২৮ (৫০) বস্তা বিক্রি হচ্ছে ১৭০০ টাকা যা গত সপ্তাহে ছিল ১৬০০ টাকা। আরিফ ২৮ (৫০) বস্তা বিক্রি হচ্ছে ১৮০০ টাকা যা গত সপ্তাহে ছিল ১৬০০ টাকা। নাবিল মিনিকেট ( ৫০) বস্তা বিক্রি হচ্ছে ২৩৫০ টাকা যা গত সপ্তাহে ছিল ২১৫০ টাকা। দাদা চিনিগুড়া (৫০ কেজি) বস্তা বিক্রি হচ্ছে ৪৬০০ টাকা যা গত সপ্তাহে ছিল ৪২০০ টাকা। দাদা ২৮ (৫০ কেজি) বস্তা বিক্রি হচ্ছে ১৬৫০ টাকা যা গত সপ্তাহে ছিল ১৫৫০ টাকা। দুর্গা নাজির (৫০ কেজি) বস্তা বিক্রি হচ্ছে ২১৫০ টাকা যা গত সপ্তাহে ছিল ২০৫০ টাকা।
আরও বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ডায়মন্ড নাজির (৫০ কেজি) বস্তা বিক্রি হচ্ছে ৩৬০০ টাকা যা গত সপ্তাহে ছিলো ৩২০০ টাকা। রশিদ মিনিকেট ( ৫০ কেজি) বস্তা বিক্রি হচ্ছে ২৪০০ টাকা যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ২২৫০ টাকা। মোজাম্মেল মিনিকেট ( ৫০কেজি) বস্তা বিক্রি হচ্ছে ২৪২০ টাকা যা গত সপ্তাহে ছিলো ২৩৫০ টাকা। অর্থাৎ সব ধরনের চালের দাম বাজারে বেড়েছে।
চালের দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে গেন্ডারিয়া বাজারের পাইকারী চাল ব্যবসায়ী হুসাইন আহমেদ সারাবাংলাকে বলেন, আমরা মিল মালিকদের কাছ থেকে পাইকারী দরে চাল কিনি। এখন মিল মালিকরা দাম বাড়ালে তাদেরও বেশি দামে কিনে আনতে হয়। ফলে খুচরা বাজারে দাম আরও বাড়বে। তবে কি কারণে দাম বেড়েছে তার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানাতে পারেনি এই ব্যবসায়ী।
এদিকে গেন্ডারিয়া বাজারে কথা হয় বেসরকারি চাকুরিজীবী মালেকের সঙ্গে তিনি বলেন, সবজি থেকে শুরু করে মাংস, কি নেই যেখানে দাম বাড়ছে না। সব কিছুই নিয়ন্ত্রণের বাইরে। সাথে আবার চালের দামও বেড়েছে। এখন নিরুপায় হয়ে কেনা ছাড়া কোনো উপায় নেই।