Thursday 25 June 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ডিজিটাল নিবন্ধনের আওতায় আসছে ডায়াবেটিস রোগীরা


৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৯:২০
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ডিজিটাল নিবন্ধনের আওতায় আসছে ডায়াবেটিস

।। স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট ।।

ঢাকা: প্রথমবারের মতো দেশে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ডায়াবেটিস রোগীর তথ্য-উপাত্ত নিবন্ধন কর্মসূচি শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন অনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

বারডেম হাসপাতাল এই কর্মসূচির উদ্যোগ নেয়। নভো নরডিস্কের সহযোগিতায় এ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করবে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি (বাডাস) ও তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, নিবন্ধিত তথ্য-উপাত্ত ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে গুণগত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এতে ডায়াবেটিস রোগীর জীবন যাপন সহজ হবে, সচেতনতা বাড়বে।

বিজ্ঞাপন

রাশেদ খান মেনন বলেন, এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপের সূচনা হলো। এই উদ্যোগ মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে।

এ সময় তিনি বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি (বাডাস) ও নভো নরডিস্ককে ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে বাডাস’র সঙ্গে নভো নরডিস্কের এই কর্মসূচি সংক্রান্ত চুক্তি হয়।

মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল নিবন্ধনের ফলে এই রোগের ব্যাপ্তি ও ভয়াবহতা সংক্রান্ত সঠিক চিত্র উঠে আসবে। সব ধরনের সমস্যা চিহ্নিত করে তাতে মনোযোগ দেওয়া যাবে। যা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে অবদান রাখবে।

জাতিসংঘ ডায়াবেটিসকে অন্যান্য অসংক্রামক রোগের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং এরই মধ্যে এসডিজি অর্জনের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে অসংক্রামক রোগের কারণে অকাল মৃত্যুর হার এক-তৃতীয়াংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাডাস’র সভাপতি অধ্যাপক আজাদ খান বলেন, বাংলাদেশে ডায়াবেটিস রোগীর সঠিক পরিসংখ্যান নেই। এ সংক্রান্ত জরিপের উদ্যোগও এখন পর্যন্ত নেওয়া হয়নি। দেশ জুড়ে এই নিবন্ধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রোগীর সংখ্যাই শুধু নয়, একটা সঠিক চিত্র পাওয়া যাবে বলে আমি মনে করি।

নভো নরডিস্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অনান্দ শেঠি বলেন, ডায়াবেটিস প্রতিরোধের জন্য এর গতি-প্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা থাকা খুব জরুরি। বাংলাদেশে এই রোগ যাতে মহামারী আকার ধারণ করতে না পারে তার পেছনে ৬০ বছরের ও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির পাশাপাশি কাজ করছে নভো নরডিস্ক।

“আমরা চেঞ্জিং ডায়াবেটিস ব্যারোমিটার, শিশুদের ডায়াবেটিস পরিবর্তন ও নানা ধরনের সামাজিক সচেতনতামূলক কাজ করছি (চেঞ্জিং ডায়বেটিস ইন চিলড্রেন)।” বলেন অনান্দ শেঠি।

আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের তথ্য মতে, বাংলাদেশে এখন ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা প্রায় ৬.৯ মিলিয়ন। ২০৪৫ সাল নাগাদ এই সংখ্যা হবে ১৩.৭ মিলিয়ন।

সারাবাংলা/জেএ/এটি