Friday 21 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ১২ আগস্ট

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৮ জুলাই ২০২৬ ১৫:২১ | আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২৬ ২২:২৭

সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান – সংগৃহীত ফাইল ছবি

ঢাকা: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় নারায়ণগঞ্জে ১০ জনকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১২ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী-এর একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এদিন মামলার দ্বিতীয় সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন এনআরবি মামুন। তিনি জানান, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে তিনি সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন।

সাক্ষ্যে তিনি বলেন, ৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া মোড়ে অয়ন ওসমান-এর গুলিতে তার সামনেই এক আন্দোলনকারী আহত হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসা দেওয়া হয়নি এবং পরদিন তিনি মারা যান। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবি জানান সাক্ষী।

বিজ্ঞাপন

সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রাষ্ট্রনিযুক্ত ডিফেন্স আইনজীবী আমির হোসেন, আলী হায়দার ও মুসতাভী হাসান রাতুল সাক্ষীকে জেরা করেন।

মামলার ১২ আসামির সবাই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। শামীম ওসমান ছাড়াও আসামিদের মধ্যে রয়েছেন তার ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন, ভাতিজা আজমেরী ওসমান, মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ ভিকি, তানভীর আহমেদ টিটু, রাজু আহমেদ, আব্দুল করিম বাবু, কামরুল হাসান মুন্না, শাহ নিজাম উদ্দিন আহমেদ, শাহাদাত হোসেন সাজনু, হাবিবুর রহমান রিয়াদ ও সোহানুর রহমান শুভ্র।

এর আগে, গত ১৩ মে প্রসিকিউশনের আনা তিনটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে ট্রাইব্যুনাল ১২ আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে ১০ জুন সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথম অভিযোগে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া, সাইনবোর্ডসহ আশপাশের এলাকায় কিশোর আদিল, ইয়াছিন, শিক্ষার্থী পারভেজ, পোশাককর্মী রাসেল, ছয় বছরের শিশু রিয়াসহ ৬ জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। দ্বিতীয় অভিযোগে ২১ জুলাই ভূইগড় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আবদুর রহমান ও মোহাম্মদ রাকিবকে হত্যার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তৃতীয় অভিযোগে ৫ আগস্ট বদিউজ্জামান ও আবুল হাসানকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম চলছে। তাদের পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে ৩ জন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর