Friday 21 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

রোহিঙ্গা ভোটার ঠেকাতে জাতিসংঘের ‘এপিআই’ প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
৮ জুন ২০২৬ ২০:৩০ | আপডেট: ৯ জুন ২০২৬ ০৮:১১

– কোলাজ ও প্রতীকী ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গাদের অবৈধ অন্তর্ভুক্তি প্রতিরোধে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) তথ্যভাণ্ডার ব্যবহারে পুনরায় উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এবার পুরো সার্ভার নেয়ার পরিবর্তে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস বা এপিআই প্রযুক্তির মাধ্যমে এই সুবিধা পাওয়ার পরিকল্পনা করছে সংস্থাটি।

সোমবার ৮ জুন আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

জানা যায় , ইউএনএইচসিআরের ডাটাবেজে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে। এপিআই সংযোগ পাওয়া গেলে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদনকারী যেকোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তির পরিচয় এই তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে সহজেই মিলিয়ে দেখা সম্ভব হবে।

বিজ্ঞাপন

উল্লেখ্য, গত বছর ইসি জাতিসংঘের কাছ থেকে পুরো ডাটাবেজটি নেয়ার উদ্যোগ নিলেও, সেটি সরকার নাকি নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, এমন জটিলতায় পুরো উদ্যোগটি মাঝপথে আটকে যায়। সেই অভিজ্ঞতার আলোকেই এবার নতুন এই কৌশল বেছে নিয়েছে কমিশন।

এদিকে, এই বিষয়ে ইসি’র সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, গত বছর সাড়া না পাওয়ায় এবার পুনরায় ইউএনএইচসিআর-কে চিঠি পাঠানো হচ্ছে।

জানা গেছে, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় পৌনে ১২ লাখ রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন, যাদের অনেকেই ইতিমধ্যে ক্যাম্প ছেড়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছেন। স্থানীয়দের বিয়ে করে কিংবা দালাল চক্রের যোগসাজশে ভুয়া তথ্য দিয়ে ভোটার তালিকায় নাম তুলে জাতীয় পরিচয়পত্র হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে অনেকের বিরুদ্ধে। এমনকি এই পরিচয়পত্র ব্যবহার করে পাসপোর্ট বানিয়ে বিদেশে গিয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার ঘটনাও ঘটছে।

এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম অঞ্চলের ৩২টি উপজেলাকে ইতিমধ্যে ‘বিশেষ এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করেছে ইসি। সেখানে বিশেষ কমিটি এবং কঠোর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটারদের পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম অঞ্চলের নতুন আবেদনকারীদের সাধারণত ‘এ’ ও ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ভাগ করে পরীক্ষা করা হয় এবং কোনোটিতেই পরিচয় নিশ্চিত হওয়া না গেলে আবেদনটি চূড়ান্ত যাচাইয়ের জন্য ‘সি’ ক্যাটাগরি বা বিশেষ কমিটির কাছে পাঠানো হয়।

সারাবাংলা/এনএল/এসআর
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর