ঢাকা: সরকার ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)-কে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য এআই ছবি দিয়ে উত্তরার মেট্রোরেল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
বুধবার (৩ জুন) কোরবানির পশুর হাটের বর্জ্য অপসারণ শেষে তেজগাঁও পলিটেকনিক খেলার মাঠ ও তৎসংলগ্ন সড়ক ডিভাইডারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রশাসক বলেন, কোরবানির পশুর হাটের কারণে উত্তরার মেট্রোরেল এলাকার গাছপালা যে আংশিক ক্ষতি হয়েছিল, নুতন করে গাছ লাগিয়ে পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। এছাড়া, আগের চেয়ে আরো অনেক সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে সবুজায়ন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, কোরবানি পরবর্তী সাধারণ মানুষ যেন ভালো কাজ গ্রহণ করে, এ জন্য এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। ক্লিন ও গ্রীন ঢাকা বাস্তবায়নে আজ ঢাকা পলিটেকনিক খেলার মাঠে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের শিল্পাঞ্চলের প্রতিটি এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হবে। এই মহতি উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য ঢাকা পলিটেকনিক পশুর হাটের ইজারাদার ও এলাকাবাসীকে ধন্যবাদ জানান প্রশাসক।
শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ঈদ পরবর্তী ৭২ ঘন্টা শেষে ডিএনসিসি এর ইজারাকৃত পশুর হাটগুলোর বর্জ্য ও বাঁশের ফ্রেম অপসারণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং প্রতিটি হাট পরিদর্শন শেষে লক্ষ্য করা গেছে। অনেকগুলো হাটের পশুর বর্জ্য ও বাঁশের ফ্রেম অপসারণ করা হয়েছে এবং বাকিগুলো অপসারণ কাজ চলমান রয়েছে।
কোরবানির বর্জ্য অপসারণসহ নগর উন্নয়ন ও নগর পরিকল্পনায় তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য প্রশাসক সাংবাদিকদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি বলেন, কোরবানি পরবর্তী নগরবাসী ও সাংবাদিকদের সহযোগিতায় নগরের প্রতিটি অলিগলি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে এবং প্রতিনিয়ত প্রতিদিনের গৃহস্থালির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং অব্যাহত থাকবে।
প্রশাসক সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ইজারাদাররা ঈদ পরবর্তী বর্জ্য অপসারণ ও বাঁশের ফ্রেম অপসারণের কাজ করছে এবং আমি নিজে প্রতিটি হাট পরিদর্শন করে এর প্রমাণ পেয়েছি এবং তারপরও যদি কোন ইজারাদার কাজে গাফিলতি করেন,তাহলে জামানত থেকে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে