Thursday 21 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

১০৪ শতাংশ কভারেজ সম্পন্ন, মার্কিং করে টিকা দেওয়ার নির্দেশ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২১ মে ২০২৬ ২০:৩৪ | আপডেট: ২১ মে ২০২৬ ২৩:৫৭

– ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরকার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, হামের প্রাদুর্ভাবের পর লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি অর্থাৎ ১০৪ শতাংশ টিকা কভারেজ সম্পন্ন হয়েছে। এলাকায় এলাকায় মার্কিং করে যেন টিকার বাইরে থাকা শিশুদের টিকা দেওয়া সম্পন্ন করা হয় এজন্য আমি সব সিভিল সার্জনদের বলেছি।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত ‘দেশব্যাপী হামের প্রাদুর্ভাব: চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীদের করণীয় এবং জনসচেতনতা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে প্যান্ডেমিক জাতীয় জিনিস মোকাবিলা করার জন্য পর্যাপ্ত আইসিইউ ছিল না, নিওনেটাল ভেন্টিলেটর ছিল না, বাচ্চাদের নিউমোনিয়ার ট্রিটমেন্টের জন্য কোনো ব্যবস্থাপনাই ছিল না। খোঁজ নিয়ে দেখলাম, আমাদের টিকা দেওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ও তার সুপরামর্শে আমরা দ্বারস্থ হই ইউনিসেফ, গ্যাভি এবং ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের কাছে। আল্লাহর রহমতে তারা আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণে সহায়তা করেছে এবং খুব দ্রুত আমাদের টিকা দিয়েছে এবং সে টিকা আমাদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

চিকিৎসকদের ওপর হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের দোসররা বিগত দিনে টেন্ডার ও আউটসোর্সিংয়ে দুর্নীতি করার ফলে একটি ইন্টারেস্ট গ্রুপ তৈরি হয়েছে। কিছুদিন আগে ক্যানসার হাসপাতালে আমাদের এক ডেপুটি ডিরেক্টরকে কোপানো হলো টেন্ডারের কারণে। আমাদের স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক জাহিদ সাহেবকে হুমকি দেওয়া হয়েছে টেন্ডারের কারণে, ক্লিনিক বন্ধ করার কারণে। সর্বশেষ শরীয়তপুরে যে ডাক্তারকে আঘাত করা হয়েছে, এগুলোর পেছনে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল কাজ করছে, যারা আমাদের চিকিৎসকদের টার্গেট করেছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, টিকা কার্যক্রম আমাদের চলমান রাখতে হবে। কোনোভাবেই সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি দুর্বল করা যাবে না।

সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. একেএম আজিজুল হক বলেন, কোভিড, হামসহ দেশের সংকটময় মুহূর্তে চিকিৎসকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। কিন্তু ইদানীং দেশের বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসকদের ওপর আক্রমণ করা হচ্ছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।

অনুষ্ঠানে হাম নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মির্জা মো. জিয়াউল ইসলাম, ঢাকা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মুসাররাত সুলতানা সুমী এবং আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালের শিশুরোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. সুফিয়া খাতুন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর