ঢাকা: প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেছেন, বিনিয়োগবান্ধব নীতি, স্থিতিশীল করব্যবস্থা ও প্রযুক্তিনির্ভর অবকাঠামো গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। এর ফলে জিডিপি-তে আইসিটি খাতের অবদান ভবিষ্যতে ১০ থেকে ১৫ শতাংশে উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
শনিবার (১৬ মে)রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘টেলিকমিউনিকেশন অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ’ আয়োজিত ‘টেলিকম খাতের ভবিষ্যৎ: নতুন সরকার কী ভাবছে’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু স্পেকট্রাম থেকে রাজস্ব আয় নয়; বরং শক্তিশালী ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা। সাশ্রয়ী স্মার্টফোন, ৫জি, ডাটা সেন্টার, এআই ও সাইবার নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বাংলাদেশের জন্য বড় সুযোগ সৃষ্টি করেছে। সঠিক নীতি ও অবকাঠামো নিশ্চিত করা গেলে প্রযুক্তিখাত দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয় ও বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও উপদেষ্টা মন্তব্য করেন।
গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্য প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, মুখ্য আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রবি’র হেড অব রেগুলেটরি এন্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স সাহেদ আলম।
আলোচনায় অংশ নেন টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল মাবুদ চৌধুরী, এমটব মহাসচিব লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকার, ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল কবীর, বাংলাদেশ কম্পিটিশন কমিশনের সাবেক পরিচালক খালেদ আবু নাসের, বাংলালিংকের হেড অব রেগুলেটরি এন্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স তাইমুর রহমান, বুয়েটের অধ্যাপক ও টেলিকম বিশেষজ্ঞ ড. লুৎফা আক্তার।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আয়োজক সংগঠন টিআরএনবি’র সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবি। সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন টিআরএনবি’র সভাপতি সমীর কুমার দে।
সারাবাংলা/এমএমএইচ/এসআর