Monday 24 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

পার্লামেন্ট ভেঙে দিলেন থাই প্রধানমন্ত্রী, ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচনের সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১২ ডিসেম্বর ২০২৫ ১২:৪৫ | আপডেট: ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৪:৫৫

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল।

চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সীমান্ত সংঘাতের মধ্যে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে থাইল্যান্ড।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাজকীয় গেজেটে প্রকাশিত এক আদেশে জানানো হয়, রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন আনুতিনের পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার আবেদনে অনুমোদন দিয়েছেন।

থাই আইনে পার্লামেন্ট ভাঙার পর ৪৫ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ফলে আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যেই দেশটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।

শুক্রবার আনুতিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘সংসদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্তে কম্বোডিয়ার সঙ্গে চলমান সংঘাত ব্যবস্থাপনায় কোনো প্রভাব পড়বে না।’

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে আনুতিন ঘোষণা দেন যে তিনি ক্ষমতা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিচ্ছেন। আনুতিন দায়িত্ব নেওয়ার ১০০ দিনেরও কম সময়ের মধ্যে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্তটি আসে।

বিজ্ঞাপন

গত সেপ্টেম্বরে পার্লামেন্টে ভোটের মাধ্যমে আনুতিন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন, প্যেতংটার্ন শিনাওয়াত্রাকে আদালত কর্তৃক পদচ্যুত করার পর। বিরোধী পিপলস পার্টির সমর্থন পেয়ে তিনি ক্ষমতায় আসেন। তখন শর্ত ছিল, তিনি প্রথমে সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু করবেন এবং জানুয়ারি শেষে সংসদ ভেঙে দেবেন।

কিন্তু বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সংসদের যৌথ অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনের ভোটাভোটি নিয়ে তীব্র বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। বিরোধীদলীয় নেতা নাত্থাফং রুয়াংপান্যাওয়ুত অভিযোগ করেন, আনুতিন তার দলের সঙ্গে করা চুক্তি ভঙ্গ করেছেন। অন্যদিকে সরকারি মুখপাত্র জানান, বিরোধী দল অনাস্থা প্রস্তাব আনতে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

উল্লেখ্য, থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্তে টানা পাঁচ দিনের সশস্ত্র সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন নিহত, প্রায় ২০০ জন আহত এবং লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর