Tuesday 25 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

দেশে ‘মবের সংস্কৃতি’ চলছে: সংসদে রুমিন ফারহানা

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
২০ এপ্রিল ২০২৬ ২০:২২ | আপডেট: ২০ এপ্রিল ২০২৬ ২১:৩১

সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: দেশে একের পর এক মবের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানান রকম সংস্কৃতি থাকে, নাচের সংস্কৃতি, গানের সংস্কৃতি, অভিনয়ের সংস্কৃতি, কবিতার সংস্কৃতি। আর আমাদের দেশে গত দেড় বছর এবং এরপর গত ২ মাস ধরে আমরা মবের সংস্কৃতি দেখলাম।

সোমবার (২০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে তার দেওয়া নোটিশ উত্থাপন করে এসব কথা বলেন রুমিন ফারহানা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতি—কোথাও আজ জননিরাপত্তা নিশ্চিয়তা নেই। সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দফতরের প্রধানদের মব করার পাশাপাশি বরিশাল আদালত প্রাঙ্গণ এবং সুপ্রিম কোর্টের ল’ইয়ার্স রুমেও মবের ঘটনা ঘটেছে, যা বিচার ব্যবস্থার মর্যাদাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এছাড়া ডেইলি স্টার অফিসে হামলা, চট্টগ্রামে দেড় বছর আগে ছিনতাইকারী সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা এবং কুষ্টিয়ায় অভিযোগকারীকে পিটিয়ে মারার মতো নৃশংস ঘটনাগুলো আমাদের সামাজিক অবক্ষয়ের চিত্রই তুলে ধরছে।

বিজ্ঞাপন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, মন্ত্রী কয়েক দফা আশ্বস্ত করেছিলেন যে, বাংলাদেশে আর মব কালচার থাকবে না এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ হবে। কিন্তু বাস্তবে একটির পর একটি ঘটনা ঘটেই চলেছে। মানুষ যখন ন্যায়বিচার পায় না, তখনই তারা এ ধরনের নৈরাজ্যকর সংস্কৃতির দিকে ধাবিত হয়।

মানুষের মধ্যে তীব্র হতাশা, ক্ষোভ এবং বৈষম্য বিরাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সর্বোপরি অপরাধের বিচার না হওয়ার যে সংস্কৃতি, তা এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। দেড় বছর আগে চট্টগ্রামে যে ব্যক্তিটিকে পিটিয়ে মারা হয়েছিল, তার বিচার এখন পর্যন্ত না হওয়ার উদাহরণ টেনে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির অভাবই মব কালচারকে উসকে দিচ্ছে। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি জননিরাপত্তা রক্ষায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। এসময় তার বরাদ্দ পাওয়া ২ মিনিট শেষ হলে মাইক বন্ধ হয়ে যায়।

সারাবাংলা/এমএমএইচ/এসএস
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর