Thursday 20 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ভূমধ্যসাগরে ১০ দিন ভেসে থাকার পর উদ্ধার ২৯ বাংলাদেশি, প্রাণহানি ১০ জনের

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
১৭ আগস্ট ২০২৬ ১৩:২৬ | আপডেট: ১৭ আগস্ট ২০২৬ ১৫:২৯

ভূমধ্যসাগর। প্রতীকী ছবি। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: ভূমধ্যসাগরে ভাসমান একটি রাবারের নৌকা থেকে ২৯ জন বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৮ জন গুরুতর অসুস্থ ও অচেতন অবস্থায় ছিলেন। বর্তমানে তারা মিশরের মারসা মাতরুহ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রোববার (১৬ আগস্ট) মিশরের কায়রোতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এসব তথ্য জানায়।

দূতাবাসের প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানব পাচার চক্রের সহায়তায় লিবিয়ার তবরুক থেকে রওনা হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে গ্রিসের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল নৌকাটি। পরে নেভিগেশন ব্যবস্থাহীন নৌকাটি একপর্যায়ে দিকভ্রষ্ট হয়ে মিশরের মারসা মাতরুহ এলাকার উপকূলে পৌঁছালে স্থানীয় পুলিশ যাত্রীদের উদ্ধার করে।

বিজ্ঞাপন

দূতাবাস জানায়, ঘটনাটি জানার পর প্রথম সচিব (শ্রম) মো. জাকির হোসেন স্থানীয় পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সেখানে একজন কর্মীর সহায়তায় চিকিৎসাধীন বাংলাদেশি আবদুল করিমের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হয় জাকির হোসেনের।

আবদুল করিমের ভাষ্যের বরাতে দূতাবাস জানায়, গত ৩ আগস্ট ৩৮ জন বাংলাদেশি ও চারজন সুদানিসহ মোট ৪২ জন লিবিয়ার তবরুক থেকে গ্রিসের উদ্দেশে যাত্রা করেন। একপর্যায়ে নৌকার জ্বালানি ফুরিয়ে গেলে সেটি দিকভ্রষ্ট হয়ে প্রায় ১০ দিন সমুদ্রে ভাসতে থাকে। এরপর ১৩ আগস্ট নৌকাটি মিশরের উপকূলে ভিড়লে স্থানীয় পুলিশ তাদের উদ্ধার করে।

আবদুল করিমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় সূর্যতাপ এবং খাদ্য ও পানির অভাবে নয়জন বাংলাদেশি ও একজন সুদানিসহ মোট ১০ জন মারা যান। একপর্যায়ে মরদেহগুলোতে পচন ধরলে সেগুলো সমুদ্রে ভাসিয়ে দিতে বাধ্য হন জীবিত যাত্রীরা।

দূতাবাস জানায়, ঘটনার পর থেকে তারা স্থানীয় পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে। চিকিৎসাধীন বাংলাদেশিরা সুস্থ হয়ে উঠলে মিশরের প্রচলিত আইন অনুসরণ করে দ্রুততম সময়ে তাদের বাংলাদেশে পাঠাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর