Tuesday 07 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

বার্ষিক তরল দুধ উৎপাদনের সক্ষমতা প্রায় দেড় কোটি টন: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
৭ জুলাই ২০২৬ ২১:২৮

সংসদে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: জাতীয় সংসদে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে বার্ষিক তরল দুধ উৎপাদনের সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার মেট্রিক টন। তবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী দেশে বার্ষিক তরল দুধের চাহিদা রয়েছে ১ কোটি ৬২ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই তথ্য তুলে ধরেন। অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম সভাপতিত্ব করেন।

তিনি বলেন, দেশের জনগণকে চাহিদা অনুযায়ী খাঁটি, নিরাপদ ও মানসম্মত দুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। প্রাণিজাত পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং নিরাপদ খাদ্য সরবরাহের লক্ষ্যে দেশে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী স্বীকৃত আইএসও সনদপ্রাপ্ত একটি অ্যাক্রেডিটেড কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ভেজালমুক্ত, নিরাপদ ও মানসম্মত দুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দুধ সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা উন্নত করতে ৪০টি চিলিং প্ল্যান্ট এবং দেশের ৪৬৬টি উপজেলায় একটি করে মোট ৪৬৬টি মিল্ক অ্যানালাইজার সরবরাহ করা হয়েছে। এসব যন্ত্রের মাধ্যমে তরল দুধের বিশুদ্ধতা ও গুণগত মান দ্রুত ও নির্ভুলভাবে পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে।

ম্যাচিং গ্রান্ট কর্মসূচির আওতায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় ১৫টি ডেইরি হাব, ৩০০টি ভিলেজ মিল্ক কালেকশন সেন্টার এবং ১৮৬টি ক্ষুদ্রাকারের মিল্ক প্রসেসিং প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে। এসব উদ্যোগের ফলে নিরাপদ ও মানসম্মত দুধ সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের জনগণের দুধের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর