ফিলিপাইনের একটি হাই স্কুলে গোলাগুলির ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে একজন বন্দুকধারী। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দক্ষিণ ফিলিপাইনের জাম্বোয়াঙ্গা শহরে এ ঘটনা ঘটে। দুই মাসেরও কম সময়ের মধ্যে দেশটিতে এটি দ্বিতীয় গুলির ঘটনা।
পুলিশের প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাম্বোয়াঙ্গা শহরের বেসরকারিভাবে পরিচালিত আতেনিও দে জাম্বোয়াঙ্গা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংযুক্ত একটি স্কুলে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। সেখানে বন্দুকধারী একটি পিস্তল ও একটি রাইফেল নিয়ে স্কুল ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে এবং শ্রেণিকক্ষের ভেতরে থাকা শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
বন্দুকধারী, নবম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। গোলাগুলি শেষে সে আত্মহত্যা করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত শিক্ষার্থীটি তার থেকে এক শ্রেণি ওপরের একজন ছাত্র ছিল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট আর্নাল্ড আন্দাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সেখানে এখন আর কোনো গোলাগুলি চলছে না এবং নতুন করে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
আন্দাল বলেন, ‘আমরা চাই না এই ঘটনাগুলোর কোনোটিই আবার ঘটুক। আমরা আমাদের সকল ছাত্রছাত্রীর নিরাপত্তাকেই অগ্রাধিকার দিতে চাই।’
এর আগে, জুন মাসে তাকলোবান শহরের একটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি গুলির ঘটনা ঘটেছিল। সেখানে দুই সহপাঠী ক্যাম্পাসে গুলি চালালে অন্তত তিনজন ছাত্র নিহত এবং প্রায় ২০ জন আহত হয়েছিল।
ফিলিপাইনে স্কুলে গুলির ঘটনা বিরল, কারণ সেখানে বন্দুকের মালিকানা সংক্রান্ত কঠোর নিয়মকানুন রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পূর্ব ইতিহাস যাচাই এবং মনস্তাত্ত্বিক মূল্যায়নের আবশ্যকতা, যদিও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের প্রচলন এখনও সেখানে আছে।
সংবাদ চ্যানেল এএনসি স্কুলের গেটের বাইরে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের জড়ো হওয়ার ফুটেজ প্রকাশ করেছে। ভিডিওতে দেখা যায় সেখানে কিছু সশস্ত্র পুলিশ ও সৈন্য উপস্থিত ছিল।