Friday 21 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ইরানের জাহাজ আটকের জেরে ফের বাড়ল তেলের দাম

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
২০ এপ্রিল ২০২৬ ১১:৫৩ | আপডেট: ২০ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:১৪

ইরানের পতাকাবাহী একটি কার্গো জাহাজ আটক ও জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ট্রাম্পের এ ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে আবারও তেলের দাম বেড়েছে।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে এশিয়ার বাজারে তেলের দাম বেড়েছে।

সোমবার সকালে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৯৪ দশমিক ৬৬ ডলার। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ৫ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৮৮ দশমিক ৫৫ ডলারে ওঠে।

ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই জ্বালানির দাম ওঠানামা করছে। যুদ্ধের আগে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭০ ডলারের নিচে ছিল। ৯ মার্চ তা প্রায় ১২০ ডলারে পৌঁছে যায়। এ পরিস্থিতিতে কিছু দেশে জ্বালানিঘাটতিও দেখা দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিশেষ করে এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে চাপে পড়েছে। এ অঞ্চলের প্রায় ৯০ শতাংশ জ্বালানি হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ হয়।

সরবরাহ সাশ্রয়ে বিভিন্ন দেশে সরকারি কর্মীদের বাসা থেকে কাজের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কর্মসপ্তাহ কমানো হয়েছে, জাতীয় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় আগেভাগে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ডসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশ নাগরিকদের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ব্যবহার কমানোর আহ্বান জানিয়েছে। এমনকি চীনেও নানা ধরনের কাটছাঁট করা হচ্ছে, যদিও চীনের মজুত প্রায় তিন মাসের আমদানি চাহিদা মেটাতে সক্ষম বলে ধারণা করা হয়। জ্বালানির দাম ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির পর চীন সরকার মূল্যবৃদ্ধির রাশ টানার চেষ্টা করছে।

এদিকে জেট জ্বালানির দাম বাড়ায় এশিয়া অঞ্চলে সেবা দেওয়া বিমান সংস্থাগুলো নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।

গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান ফাতিহ বিরোল সতর্ক করে বলেন, ইউরোপে হয়তো ছয় সপ্তাহের জেট জ্বালানি মজুত রয়েছে। বার্তা সংস্থা এপিকে তিনি বলেন, সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হলে শিগগিরই ফ্লাইট বা উড়ান বাতিল হতে পারে।

এদিকে যুক্তরাজ্যে টানা কয়েক দফা বৃদ্ধির পর গত সপ্তাহের শেষে পেট্রল ও ডিজেলের দাম কিছুটা কমেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর থেকে জ্বালানির বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। জবাবে তেহরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল একরকম বন্ধ করে দেয়। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবাহিত হয়।

 

সারাবাংলা/এএ
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর