Friday 21 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম ১১৬ ডলার ছাড়াল, এশিয়ার শেয়ার বাজারে বড় ধস

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
৩০ মার্চ ২০২৬ ১০:৩৫ | আপডেট: ৩০ মার্চ ২০২৬ ১১:৩৪

ছবি: বিবিসি

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ তীব্র হওয়ায় তেলের দাম প্রায় দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সোমবার সকালে বিশ্বব্যাপী তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৬ ডলার ছাড়িয়েছে এবং শেয়ারের দাম ব্যাপকভাবে কমেছে।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৩ শতাংশ, যা গত ১৯ মার্চের পর সর্বোচ্চ। অন্যদিকে, এশিয়ার শেয়ারবাজারের সূচক অনুযায়ী জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক ৪.৫% এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি সূচক ৪% কমেছে।

এদিকে বিবিসির খবরে বলা হয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে লেনদেন হওয়া তেলের দাম প্রায় ৩.৫ শতাংশ বেড়ে ১০৩ ডলারে পৌঁছেছে।

বিজ্ঞাপন

ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা ইসরায়েলে হামলা চালানোর পর এবং ইরান বিশ্ববিদ্যালয় ও মার্কিন- ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বাড়িতে প্রতিশোধমূলক হামলা নেওয়ার হুমকি দেওয়ার পর এই ঘটনাটি ঘটল।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তারা যে কোনো মার্কিন স্থল হামলা মোকাবিলায় প্রস্তুত। তেহরান অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আগ্রাসনের পরিকল্পনা করছে। অন্যদিকে, গত সপ্তাহান্তে ইরান-সমর্থিত হুথিরা প্রথমবারের মতো ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় এবং লেবাননে ইসরাইলি অভিযান সম্প্রসারিত হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়ে উঠেছে। এই উত্তেজনার প্রভাবে এশিয়ার প্রধান শেয়ার বাজারগুলোতেও বড় ধরনের ধস নেমেছে।

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরানের হরমুজ প্রণালী কার্যকরভাবে বন্ধ করে দেওয়ার ফলে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে, যা বিশ্বকে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় জ্বালানি সংকটে ফেলেছে।

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তেলের দাম প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়েছে, যা বিশ্বজুড়ে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি করেছে এবং বহু দেশকে জ্বালানি সংরক্ষণের জন্য জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য করেছে।

বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, প্রণালীটিতে সামুদ্রিক যান চলাচল স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে না এলে তেলের দাম বাড়তে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিন্যান্সিয়াল টাইমস পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে বলেছেন, তিনি ইরানের জ্বালানি তেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে চান। সেই সঙ্গে ইরানের খারগ দ্বীপের রপ্তানি কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণও চায় ওয়াশিংটন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর