Wednesday 15 Apr 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ইরানের ৮টি তেলবাহী জাহাজকে ফেরত পাঠাল মার্কিন নৌবাহিনী

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
১৫ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৫৬

ছবি: রয়টার্স।

ইরানের বন্দরগুলো দিয়ে সমুদ্রপথে সব ধরনের অর্থনৈতিক লেনদেন ও বাণিজ্য বন্ধ করে দেওয়ার দাবি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এরই ধারাবহিকতায়, ইরানের বন্দরগুলো ছেড়ে আসা এবং সেখানে প্রবেশের চেষ্টাকারী অন্তত আটটি তেলবাহী জাহাজকে গতিরোধ করে ফেরত পাঠিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) থেকে শুরু হওয়া হরমুজ প্রণালি অবরোধের এ মার্কিন অভিযানে জাহাজগুলোকে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিটি ক্ষেত্রেই মার্কিন নৌবাহিনীর সদস্যরা রেডিওর মাধ্যমে জাহাজগুলোর ক্রুদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং তাঁদের গতিপথ পরিবর্তন করে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, মার্কিন বাহিনীর নির্দেশ পাওয়ামাত্র সবকয়টি ট্যাংকার বা তেলবাহী জাহাজ তা মেনে নিয়েছে। ফলে কোনো জাহাজেই তল্লাশি চালানোর জন্য ওঠার (বোর্ডিং) প্রয়োজন পড়েনি।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেছেন, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ ‘পুরোপুরি কার্যকর’ করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে অ্যাডমিরাল কুপার বলেন, ‘ইরানের অর্থনীতির প্রায় ৯০ শতাংশ সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল। অবরোধ আরোপের মাত্র ৩৬ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে মার্কিন বাহিনী সমুদ্রপথে ইরানের ভেতরে ও বাইরে সব ধরনের অর্থনৈতিক বাণিজ্য সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দিতে সক্ষম হয়েছে।’

সেন্টকমের প্রধান আরও দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যের সমুদ্রসীমায় বর্তমানে মার্কিন বাহিনীর একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রয়েছে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছিল, ইরানের উপকূলীয় এলাকা বা বন্দরগুলোতে যেকোনো দেশের জাহাজ প্রবেশ বা বের হওয়ার ক্ষেত্রে এ অবরোধ কঠোরভাবে ও নিরপেক্ষভাবে কার্যকর করা হবে।

ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি করতে এবং দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচিসহ অন্যান্য ইস্যুতে সমঝোতায় বাধ্য করতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।