Friday 14 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

অ্যাক্রেডিটেড ল্যাবরেটরি থাকলে বিদেশে চিকিৎসার খরচ কমবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
২ আগস্ট ২০২৬ ২১:৪০ | আপডেট: ২ আগস্ট ২০২৬ ২৩:৫৭

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত।

ঢাকা: দেশে আন্তর্জাতিক মানের সনদপ্রাপ্ত বা ‘অ্যাক্রেডিটেড’ ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরি গড়ে তোলা গেলে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়া রোগীদের দুর্ভোগ কমবে এবং দেশের বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত।

রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) আয়োজিত এক নীতি-নির্ধারণী সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর অসংখ্য মানুষ চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান। দেশের ল্যাবরেটরিগুলোর পরীক্ষার ওপর পর্যাপ্ত আস্থা না থাকায় বিদেশে যাওয়ার পর চিকিৎসকেরা অনেক ক্ষেত্রে একই পরীক্ষা আবার করান। এতে রোগীদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি সময়ও নষ্ট হয়।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, দেশে আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃত ল্যাবরেটরির সংখ্যা বাড়ানো গেলে রোগীরা দেশেই নির্ভরযোগ্যভাবে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করাতে পারবেন। এতে বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে।

দেশে ১০ হাজারের বেশি ল্যাবরেটরি থাকলেও আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি বা অ্যাক্রেডিটেশন রয়েছে হাতে গোনা কয়েকটির—এ তথ্য উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ল্যাবরেটরিগুলোর ওপর শুরুতেই জোর করে আইনি কড়াকড়ি আরোপ না করে আগে মালিক ও পরিচালনা পর্ষদকে সচেতন করতে হবে।

ড. এম এ মুহিত বলেন, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকেরা যদি উপলব্ধি করেন যে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করলে মানুষের আস্থা বাড়বে এবং ব্যবসায়ও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, তাহলে তাঁরা নিজেরাই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনে আগ্রহী হবেন।

দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর মান নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনাই এখন সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু হাসপাতাল ও চিকিৎসকের ওপর নির্ভর করে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন সম্ভব নয়। খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ, সঠিক ও নির্ভুল রোগ নির্ণয় এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্ব দিতে হবে। তা না হলে ক্যান্সার, কিডনি ও লিভারের মতো প্রাণঘাতী রোগের প্রকোপ কমানো কঠিন হবে।

সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসসহ বিএবি ও স্বাস্থ্য খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সারাবাংলা/এমএমএইচ/এসএস
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর