Monday 15 June 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

শিক্ষার্থীদের তৈরি রোবোটিক হাত দেখে মুগ্ধ জুবাইদা রহমান

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
১৫ জুন ২০২৬ ০৯:১৫

শিক্ষার্থীদের তৈরি প্রজেক্ট দেখেছেন ড. জুবাইদা রহমান।

ঢাকা: রাজধানীতে আয়োজিত এক বিজ্ঞান প্রদর্শনীতে শিক্ষার্থীদের তৈরি কণ্ঠস্বর ও শারীরিক ইশারায় নিয়ন্ত্রণযোগ্য কৃত্রিম রোবোটিক হাত দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান।

রোববার (১৪ জুন) বিকেলে তেজগাঁওয়ের বিএএফ শাহীন কলেজের শাহীন হল মিলনায়তনে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের এই উদ্ভাবন ঘুরে দেখেন।

প্রদর্শনীতে একদল শিক্ষার্থী তাদের তৈরি কৃত্রিম রোবোটিক হাতটি প্রধান অতিথির সামনে উপস্থাপন করে। প্রচলিত কৃত্রিম হাতের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সম্পূর্ণ নতুন প্রযুক্তির এই উদ্ভাবন দেখে ডা. জুবাইদা রহমান শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলেন এবং এর বিভিন্ন কার্যকারিতা সম্পর্কে খোঁজ নেন।

বিজ্ঞাপন

শিক্ষার্থীরা প্রধান অতিথিকে জানায়, বাজারে প্রচলিত কৃত্রিম হাতগুলো সাধারণত অপরিবর্তনশীল ও অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে থাকে। তবে তাদের তৈরি হাতটি সম্পূর্ণ থ্রিডি প্রিন্টারে তৈরি ও বিশেষভাবে প্রোগ্রাম করা, যা কণ্ঠস্বর বা শারীরিক ইশারার মাধ্যমে অনায়াসেই যেকোনো জিনিস ধরতে ও ছাড়তে পারে। এটি শুধু হাত কাটা ব্যক্তিদের জন্যই নয়, বরং যাদের কবজি থেকে হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে, তাদের শারীরিক গঠন অনুযায়ীও কাস্টমাইজ বা পরিবর্তন করে নেওয়া সম্ভব। একই সঙ্গে এটি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে সাশ্রয়ী মূল্যে তৈরি করা সম্ভব। শিক্ষার্থীদের এই প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও আত্মবিশ্বাস দেখে ডা. জুবাইদা রহমান উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, চমৎকার প্রজেক্ট, তোমাদের অভিনন্দন।

পরে মূল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. জুবাইদা রহমান শিক্ষার্থীদের এই উদ্ভাবনী মেধার প্রশংসা করে বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা, দক্ষতা ও মূল্যবোধ বিকাশে সপ্তম শ্রেণি থেকেই দলগত কাজ, বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা এবং নৈতিক শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন। ধনী-গরিব নির্বিশেষে অনগ্রসর এলাকায় উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে আগামী দিনের শিক্ষাকে আরও আনন্দময় করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেন, সরকার আর জিপিএ-৫-এর মতো সোনার হরিণের পেছনে ছুটবে না। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য একটি কর্মমুখী ও বাস্তবমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং ঢাকা জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।

 

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর