Wednesday 22 Apr 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

আশুলিয়ায় চাঞ্চল্যকর ফয়সাল হত্যা মামলার আসামি অস্ত্রসহ গ্রেফতার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২২ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:২৭ | আপডেট: ২২ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:৫১

গ্রেফতার হওয়া আসামিরা।

ঢাকা: ঢাকার আশুলিয়ার শ্রীখন্ডিয়া এলাকায় চাঞ্চল্যকর ফয়সাল মোল্লা (৩৫) হত্যাকাণ্ড মামলার প্রধান আসামি মো. বিপ্লব হাসান বিপুকে (২৮) হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টায় পিবিআই ঢাকা জেলা অফিসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গত ১৫ এপ্রিল আশুলিয়া থানাধীন শ্রীখন্ডিয়া এলাকায় ফয়সাল মোল্লা নামক এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা মো. হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় মো. বিপ্লব হাসান বিপু এবং মো. মাসুদসহ আরও অজ্ঞাতনামা দুইজনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর পরই আসামিরা পালিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। পিবিআই মামলার দায়িত্ব পাওয়ার পর হত্যাকাণ্ডে আসামিদের অবস্থান সনাক্তকরণ এবং গ্রেফতারে পিবিআই ছায়া তদন্ত অব্যাহত রাখে।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ সুপার বলেন, গত ১৯ এবং ২০ এপ্রিল ফরিদপুর বোয়ালমারী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাতৈর থেকে আসামি বিপ্লব হাসান বিপুকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, নিহত মো. ফয়সাল গ্রেফতার হওয়া বিপ্লব হাসান বিপু এবং অপর আসামি মো. মাসুদের দূর সম্পর্কের মামাতো ভাই। দীর্ঘদিনের বিরোধ এবং ক্ষোভের জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়। ঘটনার দিন ভিকটিম ফয়সাল আসামি বিপ্লব হাসান বিপুর দুইজন কর্মচারীর নিকট থেকে নেওয়া মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়ার জন্য বিপ্লব হাসান বিপুকে ঘটনাস্থলে আসতে বলে। বিপ্লব ঘটনাস্থলে আসে এবং তার বড় ভাই মাসুদকেও ফোন করে আসতে বলে। বিপ্লব হাসান বিপু এবং ফয়সাল কথা বলা অবস্থায় মাসুদ সেখানে আসে এবং তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে ফয়সালকে অতর্কিত আঘাত করা শুরু করে। সে সুযোগে বিপ্লব ফয়সালের হাতে থাকা ছেনি দা নিয়ে ফয়সালকে কোপাতে শুরু করে। একপর্যায়ে ফয়সালের মৃত্যু নিশ্চিত করে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়।

তিনি বলেন, গ্রেফতার হওয়া বিপ্লব হাসান বিপু’র দেখানো মতে আশুলিয়া থানার শ্রীৎন্ডিয়া এলাকার জনৈক হাজী আলতাফ সরদারের নার্সারীর কাঁঠাল গাছের নিচ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছেনি দা’টি ২১ এপ্রিল সকালে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর স্থানীয় জনমনে ভীতি সঞ্চার ও বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। গ্রেফতার আসামি ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতার করার চেষ্টা অব্যাহত আছে।

 

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর