পাবনা: পাবনায় পদ্মা নদীর পাড়ে বস্তুাবন্দি অবস্থায় উদ্ধারকৃত নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়া খাতুন (১৫) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং এতে জড়িত তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।
বুধবার (৩ জুন) বিকেল ৬টায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনুর রহমান জেলা পুলিশের কার্যালয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
নিহত রিয়া খাতুন (১৫) সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুরের আজিজুল প্রামানিকের মেয়ে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুর এলাকার মৃত কাশেম প্রামানিকের ছেলে নাঈম, শফিক শেখের ছেলে ইয়াসিন শেখ ও শিমুল প্রামাণিকের ছেলে তুহিন প্রামানিক।
পুলিশ সুপার রেজিনুর রহমান বলেন, ‘স্থানীয়দের তথ্য মতে আজ সকালে ভাড়ারা ইউনিয়নের পিরপুর এলাকার পদ্মা নদীর তীরে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।’
তিনি আরো বলেন, ‘গতকাল সকাল ১১টায় রিয়া খাতুন নাঈমের বাসায় বেড়াতে যায়। সেখানে উভয়ের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের এক পর্যায়ে কিছু আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। যা পরবর্তীতে তীব্র বিরোধে রূপ নেয়। এক পর্যায়ে নাঈম ভিকটিমকে ধারালো চাকু প্রদর্শন করে ভয়ভীতি দেখায়। পরবর্তীতে অভিযুক্ত নাঈম রিয়া খাতুনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এ ঘটনায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনার সাথে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া হত্যার ঘটনায় ব্যবহৃত সাদা প্রাইভেট কারও উদ্ধার করেছে পুলিশ।’