কক্সবাজার: কক্সবাজারের উখিয়ায় বাংলাদেশ র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব-১৫) একটি অভিযানে পাচারকারীদের ফেলে যাওয়া ব্যাগ থেকে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। একইসঙ্গে জব্দ করা হয়েছে একটি পরিত্যক্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশা।
সোমবার (৪ মে) দুপুরে র্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক এসব তথ্য জানান।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, মাদকের বিরুদ্ধে ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৫০)। এরই ধারাবাহিকতায় বরিবার (৩ মে) রাতে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী মরাগাছতলা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায় র্যাব-১৫-এর সিপিসি-২-এর একটি চৌকস দল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, কয়েকজন মাদক কারবারি একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবা নিয়ে ওই এলাকায় অবস্থান করছে এবং তা বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছে। তথ্যের সত্যতা যাচাই শেষে ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে মো. কায়সারের দোকানের সামনে পাকা সড়কে অভিযান চালানো হয়। এ সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবহৃত অটোরিকশা এবং একটি সাদা রঙের বাজারের ব্যাগ ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে ব্যাগটির ভেতর থেকে নীল রঙের মোট ২৫০টি এয়ারটাইট পলিপ্যাক উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি প্যাকেটে ২০০টি করে মোট ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।
সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক বলেন, ‘উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের চালানটি একটি বড় ধরনের মাদক পাচার চক্রের অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে। পলাতক কারবারিদের শনাক্ত করে গ্রেফতারে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।’
তিনি জানান, ‘জব্দ করা অটোরিকশাসহ ইয়াবাগুলো প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’
র্যাবের এ কর্মকর্তা আরও জানান, মাদকের করাল গ্রাস থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে তাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। উখিয়াসহ কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে মাদক পাচার রোধে আরও কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে।