Thursday 28 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ঈদের ভারী খাবারের ফাঁকে শরীর জুড়াবে যেসব খাবার

লাইফস্টাইল ডেস্ক
২৮ মে ২০২৬ ১৯:৩৯

বাংলাদেশে ঈদুল আজহা মানেই পরিবার-পরিজনের সঙ্গে আনন্দ, অতিথি আপ্যায়ন আর গরু-খাসির মাংসের নানা পদ। কোরবানির ঈদে একটানা কয়েকদিন ধরে ভুনা, কাবাব, রেজালা, কালাভুনা কিংবা ঝাল মাংস খাওয়ার প্রবণতা থাকে প্রায় সব ঘরেই। কিন্তু এবার ঈদ এসেছে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে। তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অতিরিক্ত মাংস খাওয়া শরীরে অস্বস্তি, গ্যাস্ট্রিক, পানিশূন্যতা, বদহজম কিংবা অতিরিক্ত গরম অনুভূতির কারণ হতে পারে।

আসুন জেনে নেই ঈদের ভুঁরিভোজের মাঝেও শরীর ঠান্ডা রাখবে যেসব খাবার…

ডাবের পানি: প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট

গরমে শরীর থেকে প্রচুর পানি ও লবণ বের হয়ে যায় ঘামের মাধ্যমে। ডাবের পানি শরীরকে দ্রুত হাইড্রেট করে এবং ক্লান্তি কমায়। ভারী মাংস খাওয়ার পর এক গ্লাস ডাবের পানি শরীরকে অনেকটা স্বস্তি দিতে পারে।

বিজ্ঞাপন

দই ছোলা চাট

সেদ্ধ ছোলার সঙ্গে ঠান্ডা দই, পেঁয়াজ, টমেটো এবং হালকা মসলা মিশিয়ে তৈরি করা হয় এটি। যা গরমেও শরীর ভেতর থেকে শীতল থাকে। সেসঙ্গে এটি পেট ভরা রাখে, পুষ্টিকর এবং ভারী খাবারের পর শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। আপনার ঈদুল আযহার নাস্তার আয়োজনে এটি রাখতে পারেন।

তরমুজ ও বাঙ্গি

ঈদের সময় বাজারে প্রচুর তরমুজ ও বাঙ্গি পাওয়া যায়। এ ফলগুলোতে পানির পরিমাণ অনেক বেশি, যা শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। মাংসের ভারী খাবারের ফাঁকে ফাঁকে ফল খেলে শরীর হালকা থাকে।

আমের কুলফি

আমের কুলফি হলো পাকা আমের পাল্প, দুধ এবং শুকনো ফল দিয়ে তৈরি একটি ক্রিমি ফ্রোজেন মিষ্টি খাবার। এর সতেজ মিষ্টি স্বাদ ঈদের ভরপেট খাবারের পর একটি উপযুক্ত ডেজার্ট হিসেবে কাজ করে।

পুদিনা ও লেবুর শরবত

ঘরে সহজেই তৈরি করা যায় এমন একটি স্বাস্থ্যকর পানীয় হলো পুদিনা-লেবুর শরবত। এটি শরীরকে ঠান্ডা রাখে, হজমে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত গরমের অস্বস্তি কমায়। সফট ড্রিংকসের বদলে এই ধরনের প্রাকৃতিক পানীয় বেশি উপকারী।