Saturday 22 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ঘুমেও মিলবে অফুরন্ত পুণ্য

সারাবাংলা ডেস্ক
২২ আগস্ট ২০২৬ ১৮:৩৫

ইসলামী জীবনবিধানে দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি কাজই সঠিক নিয়মে সম্পাদনের মাধ্যমে সাওয়াব অর্জনের চমৎকার সুযোগ রয়েছে, যার মধ্যে ঘুম অন্যতম। দিনভর কাজের ক্লান্তি শেষে শরীর ও মনের সুস্থতা বজায় রাখতে মহান আল্লাহ রাতকে বিশ্রামের সময় হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে রাসুলুল্লাহ (সা.) নির্দেশিত কিছু আদব ও পদ্ধতি অনুসরণ করে ঘুমাতে গেলে সেই ঘুম সাধারণ কোন শারীরিক প্রক্রিয়া না থেকে সরাসরি ইবাদতে পরিণত হয়।

আসুন জেনে নেই, ইসলামী জীবনবিধানে ঘুমের আদব সংক্রান্ত পয়েন্টগুলো নিচে তুলে ধরা হলো…

দ্রুত ঘুমানোর অভ্যাস: অহেতুক রাত না জেগে এশার সালাতের পর দ্রুত ঘুমিয়ে পড়া সুন্নাহসম্মত, যা শরীর সুস্থ রাখতে এবং সময়মতো ফজরের সালাত আদায়ে সাহায্য করে।

বিজ্ঞাপন

নিরাপত্তা নিশ্চিত করা: রাতে ঘুমানোর আগে বিসমিল্লাহ বলে ঘরের দরজা বন্ধ করা, খাবারের পাত্র ঢেকে রাখা এবং বাতি বা বিপদজনক বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অজু করে ঘুমানো: পবিত্র অবস্থায় অর্থাৎ সালাতের অজুর মতো অজু করে ঘুমাতে যাওয়া সুন্নাহ এবং এটি মানসিক ও আত্মিক প্রশান্তি আনে।

বিছানা ঝেড়ে নেওয়া: শোয়ার পূর্বে কাপড়ের ভেতরের দিক দিয়ে বিছানাটি ভালোভাবে ঝেড়ে নেওয়া রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর অন্যতম একটি উপদেশ।

ডান কাত হয়ে শোয়া: ঘুমানোর সময় ডান পাশের ওপর ভর দিয়ে শয়ন করা সুন্নাহসম্মত এবং এটি স্বাস্থ্যের জন্যও বেশ উপকারী।

ঘুমানোর বিশেষ দোয়া পাঠ: দিনের শেষে আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা ও আনুগত্য প্রকাশ করে নির্দিষ্ট দোয়া পাঠের নিয়ম রয়েছে।

আয়াতুল কুরসি তেলাওয়াত: ঘুমানোর পূর্বে আয়াতুল কুরসি পাঠ করলে মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা থাকে এবং শয়তানের প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

শেষ তিন সূরা পাঠ: হাত একত্র করে সূরা আল-ইখলাস, সূরা আল-ফালাক ও সূরা আন-নাস তেলাওয়াত করে ফু দিয়ে সারা শরীরে হাত বুলানো সুন্নাত।

অনিদ্রায় জিকির ও ইস্তিগফার: রাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে বা ঘুম না আসলে হতাশ না হয়ে আল্লাহর জিকির ও ক্ষমা প্রার্থনার মাধ্যমে সেই সময়টিকে সওয়াবে রূপান্তর করা যায়।

সারাবাংলা/এনএল/এএসজি
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর