Saturday 18 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

জিআই পণ্যে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে ‘সুন্দরবনের মধু’

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
৩০ জুন ২০২৪ ১৭:৩৪ | আপডেট: ৩০ জুন ২০২৪ ২১:৫৩

ঢাকা: ‘সুন্দরবনের মধু’ বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে নিবন্ধিত হতে যাচ্ছে। এ বিষয়ে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসকের আবেদন পর্যালোচনা করে প্রাপ্ত তথ্য জার্নাল আকারে প্রস্তুত করে বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছে।

জার্নাল প্রকাশের তারিখ থেকে দুই মাস সময়ের মধ্যে তৃতীয় কোনো পক্ষের আপত্তি বা বিরোধিতা না পাওয়া গেলে পণ্যটিকে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে নিবন্ধন করা হবে বলে জানিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদফতর (ডিপিডিটি)।

সূত্রে জানা গেছে, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক ‘সুন্দরবনের মধু’ পণ্যটিকে জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধনের জন্য গত ২০১৭ সালের ৭ আগস্ট আবেদন করেন। ডিপিডিটি আবেদন পরীক্ষা শেষে আবেদনে উল্লিখিত বিষয়ে আরও প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদানের জন্য আবেদনকারীকে অনুরোধ জানায়।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন- ‘প্রশাসনের অবহেলায় সুন্দরবনের মধুর জিআই স্বত্ব ভারতের’

ডিপিডিটির অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে সুন্দরবনের মধুর পুষ্টিগুণ বিষয়ে বিএসটিআই একটি পরীক্ষা প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ডিপিডিটিকে দেয়। আরও কিছু তথ্য চাওয়া হলেও সেগুলো না পাওয়ায় ওই বিষয়ে শুনানি নিয়ে বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের কাছে তথ্য চাওয়া হয়। সেসব তথ্য সংযুক্ত করে বাগেরহাট জেলা প্রশাসন ফের গত ২৭ জুন আবেদন দিলে সেটি পর্যালোচনা করে সুন্দরবনের মধুকে বাংলাদেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন বাংলাদেশ ও ভারতজুড়ে বিস্তৃত। তবে সুন্দরবনের মধুর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই সংগৃহীত হয় বাংলাদেশে, ভারতে হয় এক-তৃতীয়াংশের মতো। সে হিসাবে ভারতের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ সুন্দরবনের মধু সংগ্রহ হয় বাংলাদেশে। তা সত্ত্বেও সম্প্রতি ভারত সুন্দরবনের মধুকে নিজেদের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

এ বছরের শুরুর দিকে টাঙ্গাইল শাড়িকে ভারত নিজেদের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিলে বিষয়টি আলোচনায় এসেছিল। সুন্দরবনের মধুর ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার (২৬ জুন) এ বিষয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) একটি ব্রিফিংও করেছে। সুন্দরবনের মধুকে ভারত নিজেদের জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দেওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশের প্রশাসন ও দায়িত্বশীলদের অবহেলাকে দায়ী করে সিপিডি।

আরও পড়ুন-

সারাবাংলা/জেআর/একে
বিজ্ঞাপন

আরো