Wednesday 15 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

তপন বাগচীর বাংলা একাডেমি পুরস্কার বাতিলের দাবি


২৮ জানুয়ারি ২০২৪ ১৭:৩৩ | আপডেট: ২৮ জানুয়ারি ২০২৪ ২৩:০৮

ঢাকা: তপন বাগচীর বাংলা একাডেমি পুরস্কার বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অন্যদের সম্পাদিত লোকসাহিত্য বিষয়ক বই থেকে হুবহু লেখা চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করার অভিযোগ তুলে এই দাবি জানানো হয়েছে। পুরস্কারের তালিকা থেকে তার নাম বাদ দেওয়াসহ সংবাদ সম্মেলনে তপন বাগচীর উপযুক্ত শাস্তি চেয়েছেন দুই লেখক ও সংগ্রাহক।

রোববার (২৮ জানুয়ারি) বেলা আড়াইটায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী দুই লেখক ও সংগ্রাহক ইকবাল জাফর ও মহসীন দেওয়ান লিটন।

সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, তাদের সংগৃহীত-সম্পাদিত-প্রকাশিত গ্রন্থ গীতিগ্রন্থ (‘মরমী সাধক মাতাল কবি আব্দুর রাজ্জাক দেওয়ান: বাউল অঞ্চলী, প্রথম খণ্ড’) এবং স্মারকগ্রন্থ (মরমী সাধক মাতাল কবি আব্দুর রাজ্জাক দেওয়ান স্মারকগ্রন্থ: যদি ভুল বুঝে চলে যাও) প্রকাশের পর তা থেকে সব গান চুরি করা হয়েছে। আসল বইটির সংগ্রাহক-সম্পাদক-প্রকাশকদের কৃতিত্ব বাদ দিয়ে নিজেকে সম্পাদক দাবি করে মূল কৃতিত্ব নিয়েছেন তপন বাগচী।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন: বাংলা একাডেমির উপপরিচালকের বিরুদ্ধে ‘চৌর্যবৃত্তির’ অভিযোগ

তারা বলেন, ‘আমাদের একটি বই প্রকাশিত হয় ২০১৫ সালে। অন্যটি প্রকাশিত হয় ২০২০ সালে। আর তপন বাগচী দুই বই থেকে কপি করে ২০২২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি তা নিজের নামে প্রকাশ করেছেন।’

ভুক্তভোগী দুই লেখক জানান, ওই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমির কাছে অভিযোগ দিলে বইটি বিক্রি, প্রদর্শন ও বহন নিষিদ্ধ করে নোটিশ দেয় বাংলা একাডেমি। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, ‘যার বিরুদ্ধে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ রয়েছে তিনি কীভাবে বাংলা একাডেমির মতো একটি পুরস্কারে মনোনয়ন পান? তার মতো এমন একজন ব্যক্তিকে পুরস্কার দেওয়ার মাধ্যমে বাংলা একাডেমির মতো গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার কলঙ্কিত হোক আমরা তা চাই না।’

সংবাদ সম্মেলনে ইকবাল জাফর বলেন, ‘অবিলম্বে তপন বাগচীর পুরস্কারের মনোনয়ন বাতিল করা হোক। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হোক। তা না হলে আমরা আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবো।’

বিজ্ঞাপন

আরো