Tuesday 14 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

নির্বাচনে আসেন, কার কত দৌড় দেখি: শেখ হাসিনা

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
২৩ নভেম্বর ২০২৩ ১২:০৫ | আপডেট: ২৩ নভেম্বর ২০২৩ ১৬:০৭

ঢাকা: দেশবাসীকে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ভোটের অধিকার আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রয়োগ করার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচনে আসেন কার কত দৌড় আমরা দেখি। জনগণ কাকে চায়? সেটা আমরা যাচাই করে দেখি। যারা এখনো দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছে তাদেরও বলবো আপনারা নির্বাচনে আসেন, নির্বাচন অবাধ নিরপেক্ষ হবে। এতে কোনো সন্দেহ নেই।

বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) সকালে তেজগাঁওতে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ অফিসে আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দলের প্রার্থী চূড়ান্ত করতে এই মনোনয়ন বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞাপন

বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান দুইজনেই দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যারা এ রকম দুর্নীতিবাজ, একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মতো হামলা ঘটাতে পারে। তাদের নেতৃত্বের দল, কোন বিশ্বাসে তারা ইলেকশনে আসবে? তারপরও আমি বলব ঠিক আছে, দল যখন আছে কিছু না হোক নির্বাচনে নমিনেশন বিক্রি করা এটাও তো ব্যবসা তাদের। এর আগে এই ব্যবসা তারা করেছে। হয়তো সেই ব্যবসা করতে পারে। সে জন্য নির্বাচনে আসুক আমি সেই আহ্বান জানাই।’

বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান দুইজনেই দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যারা এ রকম দুর্নীতিবাজ একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মতো হামলা ঘটাতে পারে তাদের নেতৃত্বের যে দল কোন বিশ্বাসে তারা ইলেকশনে আসবে? তারপরও আমি বলব ঠিক আছে, দল যখন আছে কিছু না হোক নির্বাচনে নমিনেশন বিক্রি করা এটাও তো ব্যবসা তাদের। এর আগে এই ব্যবসা তারা করেছে। হয়তো সেই ব্যবসা করতে পারে। সে জন্য নির্বাচনে আসুক আমি সেই আহ্বান জানাই।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এইটুকু বলতে পারি আওয়ামী লীগ আমলে নির্বাচন অবাধ নিরপেক্ষ হয় এবং এ বিষয়ে আমি বারবার নির্দেশও দিয়েছি যে, জনগণের ভোটের অধিকার; আমার ভোট আমি দেব যাকে খুশি তাকে দেব জনগণের সেই অধিকার আমরা নিশ্চিত করেই নির্বাচন করব। কোনো হস্তক্ষেপ করব না। নির্বাচন কমিশন অভাব নিরপেক্ষ নির্বাচন করবে সেটাই আমরা চাই। নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা কেউ করবেন না। করলে সেটা ভালো হবে না। পরিণতিও ভালো হবে না, এটাও বাস্তবতা।’

নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার ঘোষণা দেওয়া দলগুলোকে স্বাগত ধন্যবাদ জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘নির্বাচন হবে। জনগণ তাদেরকে (প্রার্থী) চাইলে ভোট দেবেন, তারা পার্লামেন্টে যাবে কথা বলবে। আমি সেটাই চাই। এভাবেই আমাদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর যারা এখনো দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছে তাদেরও বলব আপনারা আসেন, নির্বাচনে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। এতে কোনো সন্দেহ নেই। আমরা নিজেরাই আহ্বান করেছি যদি পর্যবেক্ষক আসে আসবে আমাদের এখানে দ্বিধা নাই। কারণ আমাদের তো জনগণের ভোট চুরি করা লাগবে না। জনগণের আস্থা বিশ্বাস আমাদের উপর আছে।’

দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা আপনাদের ভোটের অধিকার আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রয়োগ করবেন। যাকে খুশি তাকে ভোট দেন। আমাদের এ ব্যাপারে কোনো কথা নেই। তবে হ্যাঁ, আমি আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে আপনাদের কাছে দাবি করব, আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দেন। কিন্তু সম্পূর্ণ জনগণের ইচ্ছা। ভোটারদের ইচ্ছা যাকে। খুশি তাকে দিতে পারেন। আমার ভোট আমি দেব যাকে খুশি তাকে দেব এটাই আমাদের স্লোগান। তারপরও আমি নৌকায় ভোট চেয়ে রাখলাম। আমাকে তো চাইতেই হবে।’

পরে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করতে সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ড সভায় বসে আওয়ামী লীগ। সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মনোনয়ন বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সারাবাংলা/এনআর/ইআ
বিজ্ঞাপন

আরো