Monday 13 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

মনজিল হত্যা মামলায় ২৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১ আগস্ট ২০২৩ ১২:১২ | আপডেট: ১ আগস্ট ২০২৩ ১৩:১৭

ঢাকা: রাজধানীর আফতাবনগরে নিজ ফ্ল্যাটে ও লেভেল পড়ুয়া একেএম মনজিল হক হত্যা মামলায় বনশ্রী প্রভিডেন্টস কার সার্ভিসের মালিক মো. এরশাদ সরদার আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছে।

মঙ্গলবার (১ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালতে তিনি জবানবন্দি দেন। এরপর আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন। তার জেরা শেষ হওয়ায় আগামী ১৬ আগস্ট পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করেন আদালত।

এ নিয়ে মামলাটির চার্জশিটভুক্ত ৪২ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী আজাদ রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- মনজিলের সৎ মা লায়লা ইয়াসমিন লিপি, সৎ মামা আবু ইউসুফ নয়ন, সৎ ভাই একেএম ইয়াসিন হক, মামলার বাদী চাচা ফারুক মিয়া, রবিউল ইসলাম সিয়াম ও আবু ইউসুফ নয়ন। মাহফুজুল ইসলাম অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তার বিচার শিশু আদালতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

জানা যায়, ২০১৭ সালের ১১ ডিসেম্বর রাজধানী বাড্ডার আফতাবনগরে নিজ ফ্ল্যাটে হত্যার শিকার হন ও লেভেল পড়ুয়া মনজিল হক (২৮)। হত্যাকাণ্ডের পর চাচা ফারুক মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের নামে মামলা করেন।

পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) তদন্তে উঠে আসে সম্পত্তির লোভে মনজিলকে সৎ মা লায়লা ইয়াসমিন লিপি, সৎ মামা আবু ইউসুফ নয়ন ও সৎ ভাই একেএম ইয়াসিন হক (২৫) ও মামলার বাদী চাচা ফারুক মিয়া (৫৮) হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা।

২০২১ সালের ২৬ অক্টোবর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন সিআইডি পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. শামসুদ্দিন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বাদী ফারুক ও নিহত মনজিলের বাবা আপন বড় ভাই। তারা একইসঙ্গে গার্মেন্টসের ব্যবসা করতেন। শান্তিনগর বাজারের পিছনে মনার ছেলে মনজিল এবং ইয়াসিন ও ফারুকের ছেলে নিজেদের যৌথ নামে একটি ফ্ল্যাট ছিল। কিন্তু মনা ওই ফ্ল্যাটটি তার ছেলেদের দিয়ে দলিল করিয়ে বিক্রি করে দেয়। এ নিয়ে নিহতের বাবার সঙ্গে ফারুকের দ্বন্দ্ব ছিল। নিহতের বাবার মারা যাওয়ার পর সেই ক্ষোভ মনজিলের ওপর ছিল। ওই ক্ষোভ থেকেই মনজিলকে হত্যার পরিকল্পনায় ভাতিজা ইয়াসিনের সঙ্গে চাচা ফারুক যোগ দেয়।

সারাবাংলা/এআই/ইআ
বিজ্ঞাপন

আরো