ঢাকা: গ্রাহক পর্যায়ে ফের বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির কড়া সমালোচনা করেছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)।
শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম ও মহাসচিব অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান এ সমালোচনা করেন।
তারা বলেন, ‘এমনিতেই জীবনযাত্রার ব্যয় যখন লাগামহীনভাবে বাড়ছে। করোনার ধকল এখনো মানুষ কাটিয়ে উঠতে পারেনি। কাজ হারিয়ে মানুষ বেকার হচ্ছে, কর্মসংস্থান নেই বললেই চলে। নিত্যপণ্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ দিশেহারা। তারা চরম কষ্টে খেয়ে না খেয়ে দিনাতিপাত করছে। এমন সময় বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি অত্যন্ত অমানবিক সিদ্ধান্ত।’
নেতৃদ্বয় বলেন, ‘দুই মাস আগে পাইকারি পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধির পর এবার গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করা হলো। সুতরাং কৃষি সেচে, কল কারখানায় উৎপাদনে ব্যয় বৃদ্ধিসহ জীবনযাত্রার ব্যয় এবং প্রতিটি জিনিসের মূল্য আরেক দফা বাড়বে।’
তারা বলেন, ‘অনির্বাচিত সরকারের সীমাহীন ব্যর্থতা, দুর্নীতি ও ভ্রান্তনীতির ফলে দেশের অর্থনীতিতে এবং জনজীবনে তীব্র সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যুৎ খাতে সীমাহীন দুর্নীতি ও অনিয়মের খেসারত দিচ্ছে জনগণ। কুইক রেন্টাল, বিদ্যুৎ উৎপাদন না করেই বসিয়ে রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ক্ষমতাসীনদের মদদপুষ্ট মালিকদেরকে ক্যাপাসিটি চার্জের নামে জনগণের টাকায় লাভবান করা হচ্ছে। দুর্নীতি, অপচয়, অব্যবস্থাপনার জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন জনগণের পকেট কাটা হচ্ছে।’
ইউট্যাবের শীর্ষ দুই নেতা অবিলম্বে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিল ও বিদ্যুতের দাম কমানোর দাবি জানান।