Friday 03 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ঢামেকের সামনে গলা কেটে আত্মহত্যা করা যুবক ঢাবির শিক্ষার্থী

ঢাবি করেসপন্ডেন্ট
২৩ মে ২০২১ ২৩:৩৯ | আপডেট: ২৪ মে ২০২১ ০৩:৩৫

ঢাকা: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) বর্হিবিভাগে নিজের গলা নিজে কেটে আত্মহত্যা করা যুবকের পরিচয় পাওয়া গেছে। তার নাম হাফিজুর রহমান। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) তথ্য বিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের ১৫-১৬ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

রোববার (২৩ মে) সন্ধ্যায় ঢামেক হাসপাতালের মর্গে হাফিজের মৃতদেহ শনাক্ত করেন ঢাবি কতৃপক্ষ ও তার স্বজনরা। তার গ্রামের বাড়ি ব্রক্ষনবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলায়। এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন-অর রশিদ বলেন, আজ (রোববার) ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী হাফিজুরের লাশ শনাক্ত করেছে তার পরিবার ও স্বজনরা।

বিজ্ঞাপন

স্বজনরা থানাতেই আছেন। রাতেই হাফিজুরের স্বজনরা মৃতদেহ হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন ওসি মামুন-অর রশিদ।

আরও পড়ুন: ঢামেকের সামনে অজ্ঞাত যুবকের আত্মহত্যা

তিনি আরও বলেন, গত ১৫ই মে শনিবার হাফিজ ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে এসে আমাকে মাফ করে দাও! আমাকে মাফ করে দাও! বলতে বলতে এসে ওখানকার ডাব বিক্রেতার কাছ থেকে দা নিয়ে নিজের গলায় চালিয়ে দিয়ে দৌড়ে মেডিকেল কলেজের বহির্বিভাগের সামনে চলে যায়। সেখান দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে রিকশায় করে হাসপাতালে নেওয়ার সময় সে চলন্ত রিকশা থেকে লাফ দেয়। ডাক্তার তার চিকিৎসা করা অবস্থায় সে চিকিৎসা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে সেখান থেকে পালিয়ে যান তিনি। পরে ঢাবি’র কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের পেছনে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

এর আগে, গত ১৫ মে দুপরে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা শেষে রাত ৮-৯ টার দিকে তার নিজ বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যাওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠেন। ওইদিনের পর থেকে আর খোঁজ পাওয়া যায়নি হাফিজের। পরবর্তীতে স্বজনরা কসবা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন এবং শাহবাগ থানায় বিষয়টি জানায়। পরে আজ স্বজনরা ঢামেক মর্গে এসে হাফিজুরের লাশ শনাক্ত করে।

প্রসঙ্গত, হাফিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য বিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের ১৫-১৬ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠন মাইম অ্যাকশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।

সারাবাংলা/এসএসআর/এনএস