Monday 29 June 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

উত্তর সিটিতে আ.লীগের নতুন কাউন্সিলর সাখাওয়াত কারাগারে


৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৬:৫২ | আপডেট: ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৭:১৮
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ঢাকা: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে নবনির্বাচিত কাউন্সিলর সাখাওয়াত হোসেন শওকতের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই মামলার আরও সাত আসামিকেও কারাগারে পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শুনানি শেষে  ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরী এ আদেশ দেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন— মারুফুর রহমান ইমন, ওয়ালিদ হোসেন আহাদ, জুনায়েদ হোসেন ফারহান, মিন্টু গাজী, মোখলেছুর রহমান, আলমগীর হোসেন সরদার ও মোস্তাফিজুর রহমান মন্টু।

এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের আদালতে হাজির করে মামলা তদন্তের স্বার্থে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। এসময় আসামি পক্ষের আইনজীবী কাজী নজীবুল্লাহ হিরু আসামিদের জামিন চেয়ে শুনানি করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ এ জামিনের বিরোধিতা করে। শুনানি শেষে আদালত আসামিদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

এ রআগে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়, সদ্য অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সাখাওয়াত হোসেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি তার সহযোগী অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীদের নিয়ে রামপুরাসহ বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালান এবং নির্বাচনে যারা তাকে ভোট দেননি, তাদের চিহ্নিত করে মারধর করে আসছেন বলে জানা যাচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনায় আসামিদের জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। আসামিদের নাম-ঠিকানা যাচাই করা হয়নি। জামিন পেলে তিনি পালিয়ে যেতে পারেন এবং তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডও বেড়ে যেতে পারে। এ কারণে আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

এর আগে, পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) এক পরিদর্শককে মারধরের অভিযোগে সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে রামপুরা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় আসামিদের। ওই পুলিশ পরিদর্শক বাদী হয়ে খিলগাঁও থানায় একটি মামলাটি দায়ের করেছিলেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, সোমবার রাজধনীর খিলগাঁও থানা এলাকায় অজ্ঞাতনামা ৫/৭ জন বাদী ও তার সঙ্গীদের কাছে এসে তাদের অবস্থান সম্পর্ক জানতে চান। এরপর বাদী নিজেদের পুলিশ পরিচয় দেন। আসামিরা তাদের কথা না শুনে তাদের ওই স্থান থেকে চলে যেতে নির্দেশ দেন। তারা সরকারি কাজে নিয়োজিত জানালে আসামিরা অতর্কিতভাবে উত্তেজিত হয়ে তাদের ওপর হামলে পড়েন। আসামিদের এলোপাতাড়ি মারধরে বাদী ও তার সঙ্গী এএসআই কামাল হোসেন গুরুতর আহত হন। মারধরের একপর্যায়ে আশপাশের লোকজন ও স্থানীয় থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত হয়ে বাদী ও তার সঙ্গীদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা করান।