Monday 29 June 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

হামলা বন্ধে রাজি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র, পরবর্তী বৈঠক কাতারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৯ জুন ২০২৬ ১০:০০ | আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬ ১১:২৪

কাতারে আলোচনায় বসতে যাচ্ছেন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একে অপরের ওপর হামলা বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি নিয়ে তাদের বিরোধ নিষ্পত্তি করতে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে দুই দেশের কর্মকর্তারা।

মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বরাতে এ খবর প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমগুলো। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতারে আগামীকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) আলোচনায় বসতে যাচ্ছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা।

ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে শুরু হওয়া যুদ্ধ বন্ধ এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল শুরু করার লক্ষ্যে গত ১৭ জুন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

বিজ্ঞাপন

সেই চুক্তি অনুসারে, তেহরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচলের অনুমতি দিতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এবং ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ তুলে নিতে সম্মত হয়েছিল।

মার্কিন প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ একজন কর্মকর্তা নামপ্রকাশ না করে রোববার (২৮ জুন) সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে বলেন, ‘আমরা সব ধরনের সামরিক তৎপরতা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

আরও একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে একই সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আপাতত উভয় পক্ষই সংঘাত থেকে সরে দাঁড়াবে। জাহাজগুলো অবাধে চলাচল করতে পারবে। কারণ, আলোচনা অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এ দুই সরকারি কর্মকর্তা এবং বিষয়টির সঙ্গে জানাশোনা রয়েছে এমন আরও একটি সূত্র এক্সিওস কে নিশ্চিত করেন, আগামীকাল মঙ্গলবার কাতারে দুপক্ষ আবারও বসতে যাচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে একই কথা জানান। তিনি সিএনএনকে বলেন, এখন থেকে দুই পক্ষ আর সংঘাতে জড়াবে না। আরও বিশদ আলোচনার জন্য তারা মঙ্গলবার কাতারের দোহায় আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে।

তবে এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক কার্যক্রম চালু রাখার হুমকি পুণর্ব্যক্ত করেছেন। এই বিষয়ে গত ২৭ জুন তিনি বলেন, ইরান হামলা চালালে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনে আবারও যুদ্ধে ফিরবে। আর যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ পুনরায় শুরু করতে বাধ্য হলে, ইরানের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল এএফপি। তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।