Sunday 28 June 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

১১ জানুয়ারি ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন, গাজীপুরে ২৫ জানুয়ারি


৯ জানুয়ারি ২০২০ ২২:৫৭
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ঢাকা: আগামী ১১ জানুয়ারি (শনিবার) সারাদেশে প্রায় দুই কোটি ১০ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। তবে ইজতেমার কারণে গাজীপুরে ১১ জানুয়ারির বদলে ২৫ জানুয়ারি এ কর্মসূচি চালানো হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী ১১ জানুয়ারি জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদযাপন করতে যাচ্ছি। সেদিন ছয়মাস বয়স থেকে শুরু করে ৫৯ মাস পর্যন্ত বয়সের প্রায় দুই কোটি ১০ লাখ শিশুকে ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে ক্যাম্পেইন চলবে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, আমাদের দেশে এক সময়ে রাতকানা রোগের হার ছিল ৪ শতাংশের উপরে। সেটি এখন কমে ১ শতাংশের নিচে নেমে গেছে। এটি সম্ভব হয়েছে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের কারণে। এই ক্যাপসুলটি শিশুকে খাওয়ালে সে রাতকানা রোগ থেকে রক্ষা পায়। এছাড়াও এই ক্যাপসুলের কারণে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং ডায়রিয়া, আমাশয়, কলেরা, শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহজনিত রোগ, ব্রঙ্কাইটিস রোগ থেকে রক্ষা পায় শিশু।

তিনি আরও বলেন, এই ক্যাম্পেইনটি যাতে যথাযথভাবে পালিত হয় তার জন্য এক লাখ ২০ হাজার কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। সরকারি, বেসরকারি এনজিও বিভিন্ন পর্যায়ে সকলেই কাজ করবে। বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, ক্লিনিকে এই সেবা দেওয়া হবে। শুধু তাই নয় বিভিন্ন বাস স্ট্যান্ড, রেলস্টেশন সহ যেখানেই লোকজন বেশি থাকে সেখানেই এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর সময় শিশুরা যাতে শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকে এ আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিশুদের ভরাপেটে কেন্দ্রে নিয়ে আসার কথা বলেন। কোনো কারণে কোনো শিশুকে নির্ধারিত তারিখে ক্যাপসুল খাওয়ানো না গেলে তাদের জন্য পরবর্তীতে তারিখ নির্ধারন করা হবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, সিটি করপোরেশনের নির্বাচন ও ইজতেমার কারণে সেই সব এলাকায় এই ক্যাম্পেইন ২৫ তারিখ চালানো হবে। ইজতেমার কারণে গাজীপুরে ২৫ জানুয়ারি এই ক্যাম্পেইন শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মহাপরিচালক কাজী আ. খ. ম মহিউল ইসলামসহ অন্যান্যরা।