ঢাকা: গ্লাইফোসেট সমৃদ্ধ সব ধরনের কীটনাশকের ক্ষতিকর প্রভাবের বিষয়ে গণমাধ্যমের সহায়তায় সচেতনতা তৈরি করতে এবং গ্লাইফোসেট সমৃদ্ধ কীটনাশকের ব্যবহার থেকে সরে আসতে ৯০ দিনের মধ্যে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার (৫ জানুয়ারি) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। কীটনাশকের যথেচ্ছ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত এক রিটের শুনানি নিয়ে রুল জারির পাশাপাশি এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রিট শুনানি শেষে মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলা কীটনাশক মনিটর করতে একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে গ্লাইফোসেট সমৃদ্ধ কীটনাশকের লাইসেন্স প্রদান এবং তা নবায়নকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, রুলে সেটিও জানতে চাওয়া হয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব; বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান; বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক; পরিবেশ অধিদফতর; জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদফতর; বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউিট; বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউিট; উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইং ও মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউিটসহ সংশ্লিষ্টদের আগামী ৮ সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
কীটনাশকের যথেচ্ছ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং রাউন্ডআপসহ গ্লাইফোসেট সমৃদ্ধ অন্যান্য কীটনাশকের ব্যবহার রোধে ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ পরিবেবশ আইনবিদ সমিতিসহ সাতটি সংগঠন হাইকোর্টে রিট করে। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।